রামরাজত্ব কায়েমের পরিকল্পনা নিয়ে বাংলাদেশ আসছে কসাই মোদি

0
1124
রামরাজত্ব কায়েমের পরিকল্পনা নিয়ে বাংলাদেশ আসছে কসাই মোদি!

মুজিববর্ষের নাম করে উগ্র হিন্দুত্ববাদী ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী গুজরাটের কসাই খ্যাত নরেন্দ্র মোদিকে বাংলাদেশে আনার সকল প্রস্তুতি ইতিমধ্যেই সম্পন্ন করেছে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকার। আগামী ২৬ মার্চ বাংলাদেশের মতো মুসলিম প্রধান দেশে শেখ মুজিবের জন্মশতবার্ষিকীতে আসার কথা তার। দুইদিনের সফরে আসবে সে।

রাষ্ট্রীয় সফরে আসার কথা থাকলেও রাম রাজত্বের অংশ হিসেবে দুটি মন্দিরেও অংশগ্রহণ করবে মোদি। আর ইতিমধ্যেই মন্দিরদুটির সকল প্রস্তুতি শেষও করে ফেলেছে। ঠাকুরবাড়িতে হিন্দু রীতি অনুসরণ করে বিশেষ আলোচনা সভারও কথা রয়েছে। ভারতে মুসলমানদের উপর ধর্মীয় আগ্রাসন চালালেও অত্যন্ত রাজকীয়ভাবে কসাই মোদিকে অভ্যর্থনা জানাবে মাফিয়া হাসিনার সরকার। এ বিষয়টি মুসলমান জনসাধারণকে খুবই অবাক করেছে। যে মোদি রামরাজত্ব কায়েম করতে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করছে, বাবরী মাসজিদ শহীদ করেছে তার মতো সন্ত্রাসীকে এভাবে সম্মান জানানোটা স্বাভাবিকভাবেই মুসলমানদের অন্তরকে রক্তাক্ত করছে। আর এ বিষয়টি সামাজিক মাধ্যমগুলোতে রীতিমতো ক্ষোভ প্রকাশ করেছে মুসলিম যুবকরা। পাশাপাশি বিভিন্ন বিশ্বাসের মানুষেরাও এ বিষয়ে বিষ্ময় প্রকাশ করেছেন।

তবে অনেক বিজ্ঞজন আবার বিষয়টিকে আওয়ামী লীগের স্বাভাবিক কথিত রাজনীতির অংশ হিসেবেই দেখছেন। আওয়ামী লীগের ক্ষমতায় আসার পিছনে মোদির ভুমিকার কথা তুলে ধরছেন তারা। আর শেখ হাসিনা যে অনেকটাই হিন্দুঘেষা তার প্রমাণ তো রয়েছেই। মাদার অভ মাফিয়া হাসিনার থেকে এর থেকে ভালো কিছু আশা করা যে বোকামি সে বিষয়ে আলোকপাত করেছেন সামাজিক চিন্তক এই বিজ্ঞজনেরা।

অন্যদিকে আওয়ামী সরকারের হুকুমের গোলাম পুলিশ বাহিনীও মোদির জন্য নিয়েছে বিশেষ প্রস্তুতি। রীতিমতো থ্রেটও দিয়ে রেখেছে তারা। সরকারি এই গুন্ডা বাহিনী বাংলাদেশের কথিত সংবিধানের কথা বললেও সরকারের ক্ষমতা পাকাপোক্ত করার জন্য নিজেদের হাতে তৈরী করা নিয়মও ভঙ্গ করছে বারবার। আর তার ধারাবাহিকতায় খুনি মোদির কথিত সম্মান রক্ষার দোহাই তুলে কোন প্রকার প্রতিবাদ রুখে দেবার দৃঢ ঘোষণা করেছে। কথিত গণতন্ত্রের নুন্যতম বাক স্বাধীনতার থোরাই কেয়ার করছে হরহামেশাই। জনগণের অসুবিধা হলেও ১৭ই মার্চ থেকে ২৭ মার্চ ঢাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা অনেকটাই একমুখী করার পরিকল্পনাও গ্রহণ করেছে।

আর বিএনপি নামক সেক্যুলার দলও অনেকটাই মুখে কুলুপ এঁটে বসেছে। অন্য সময়গুলোতে ভারতের বিপক্ষে কথা বললেও ইদানিং অনেকটাই ইউটার্ন লক্ষ্য করা যাচ্ছে দলটির মধ্যে। ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য মরিয়া হয়ে ওঠা ও কুফরি আকিদায় বিশ্বাস করা দলটি অনেকটাই ভারতের সাথে বন্ধুত্ব বজায় রাখার শক্তিশালী প্রচেষ্টা করে যাচ্ছে। যেভাবেই হোক ক্ষমতা তাদের চাই এই নীতির চর্চা ধরে রেখেছে দলটি।

অন্যদিকে মিডিয়াগুলোও বিভিন্ন সময় মানবতার কথা বললেও কসাই মোদির ব্যাপারে বোবার ভুমিকা পালন করছে। ফলাও করে ভারতীয় এই সন্ত্রাসী প্রধানমন্ত্রীর সমস্ত অনুষ্ঠান আকর্ষণীয়ভাবে ফুটিয়ে তুলছে। কিন্তু জনগণের অনুভূতি যে ঠিক তার উল্টো সেটা একেবারেই আমলে নিচ্ছেনা এ সকল মিডিয়া। জনগণের অনুভূতিকে পাশ কাটিয়ে কতোকাল ধোঁকা দিতে পারবে তারা?

মন্তব্য করুন

দয়া করে আপনার মন্তব্য করুন!
দয়া করে এখানে আপনার নাম লিখুন