ফিলিস্তিনের জিহাদ || আপডেট – ২০শে ডিসেম্বর, ২০২৩

- সাইফুল ইসলাম

1
432
সুবিধামত ফন্ট ছোট বড় করুনঃ

দখলদার ইসরায়েলের সামরিক মুখপাত্র বলেছে, হামাস নেতাদের টার্গেট করতে ইসরায়েল রাফাহতে আক্রমণ চালিয়ে যাবে। সে আরও বলেছে, বন্দীদের মুক্ত করার বিষয়টি অগ্রাধিকার পাবে।

বাইডেন বলেছে, বন্দীদের মুক্তকরণের জন্য পুনরায় আলোচনা শুরু হলেও শীঘ্রই বন্দী মুক্তির চুক্তি হবে বলে আশা করা যায় না।

লোহিত সাগরে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে যে প্রসপারিটি জোট গঠন করা হয়েছে, সেটাতে নতুন করে যোগ দেবে অস্ট্রেলিয়া!

ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের জন্য জাতিসংঘের সংস্থা জানিয়েছে, গাজায় পানি, খাবার ও ওষুধকে যুদ্ধের অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। এগুলো থেকে গাজাবাসীদের বঞ্চিত রাখায় তীব্র সংকট সৃষ্টি হয়েছে।

সন্ত্রাসী ইসরায়েল গাজায় নির্বিচার হামলা অব্যাহত রেখেছে। রাফাহতে একটি হাসপাতালের কাছে এবং জাবালিয়া শরণার্থী শিবিরে হামলা করেছে তারা।

পশ্চিম তীরের বেথেলহাম, হেবরন, জেরিকোতেও হামলা চালিয়েছে দখলদার ইসরায়েলি বাহিনী।

গাজায় দখলদার ইসরায়েলের হামলায় এখন পর্যন্ত নিহত হয়েছেন অন্তত ২০ হাজার ফিলিস্তিনি।

গত ৭২ ঘণ্টায় দখলদার ইসরায়েলের ২৫ সৈন্যকে হত্যা করেছেন আল-কাসসাম ব্রিগেডের মুজাহিদিন। এসময় শত্রুবাহিনীর ৪১টি সামরিকযানে হামলা চালিয়েছেন তারা। এছাড়া ১টি স্নাইপার হামলা, ২টি পদাতিক বাহিনীর উপর বিস্ফোরক ব্যবহার করে হামলা, টানেলের মুখে ২টি বিস্ফোরণ, খুব কাছ থেকে ৭টি সংঘর্ষ, জায়োনিস্ট সৈন্যদের আশ্রয় নেওয়া ৫টি বাড়িতে হামলা, একটি বাড়ি গুড়িয়ে দেওয়া, ৩টি রকেট হামলা, শত্রুবাহিনীর মাঝে ৪টি মর্টার হামলা চালিয়েছেন আল-কাসসাম ব্রিগেডের মুজাহিদগণ।

১টি মন্তব্য

মন্তব্য করুন

দয়া করে আপনার মন্তব্য করুন!
দয়া করে এখানে আপনার নাম লিখুন

পূর্ববর্তী নিবন্ধইহুদি দখলদারদের খাদ্য সহায়তা দিচ্ছে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও সৌদি-জর্দান জোট
পরবর্তী নিবন্ধফিলিস্তিনের জিহাদ || আপডেট – ২১শে ডিসেম্বর, ২০২৩