
পূর্ব আফ্রিকা ভিত্তিক সশস্ত্র ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হারাকাতুশ শাবাব আল-মুজাহিদিন চলতি ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি সময়ে মোগাদিশু বাহিনীর বিরুদ্ধে বৃহৎ পরিসরে সামরিক অপারেশন শুরু করেন। এরপর থেকেই আশ-শাবাবের কাছে একে একে বিভিন্ন শহর ও এলাকার নিয়ন্ত্রণ হারাতে শুরু করে মোগাদিশু বাহিনী। ধ্বংস হয়ে যায় মোগাদিশু বাহিনীর স্পেশাল ফোর্স দানব ও গরগরের মতো ইউনিটগুলো।
এমন পরিস্থিতিতে মোগাদিশু সরকার তার পরাজয় ঠেকাতে শাবাবের বিরুদ্ধে সম্মুখ সারিতে প্রেরণ করতে থাকে পুলিশ ও কারারক্ষীদের, এর থেকে বাদ যায় নি মোগাদিশু প্রশাসনের নারী কর্মকর্তারাও। কিন্তু তাতেও পরাজয় মোগাদিশু সরকারের পিছু ছাড়েনি। কেননা শাবাবের বিরুদ্ধে মোগাদিশু প্রশাসন কর্তৃক সম্মুখ সারিতে প্রেরিত শত শত পুলিশ অফিসার তাদের অস্ত্র নিয়ে আশ-শাবাবে যোগ দিয়েছে, আবার অনেকে তাদের অস্ত্র বিক্রি করে পালিয়ে গেছে।
জানা গেছে যে মোগাদিশু প্রশাসন কর্তৃক সম্মুখ সারিতে প্রেরিত শত শত পুলিশ অফিসার নিখোঁজ হয়ে গেছে, কেউ কেউ পালিয়ে গেছে এবং কেউ কেউ আল-শাবাবের বাহিনীতে যোগ দিয়েছেন।
স্থানীয় সংবাদ মাধ্যম সোমালি গার্ডিয়ান ও 5tv এর এক রিপোর্ট অনুসারে, মোগাদিশু সরকার সাম্প্রতিক এই যুদ্ধে আশ-শাবাবের বিরুদ্ধে কয়েক হাজার পুলিশ ও অফিসারকে সামনের সারিতে মোতায়েন করেছে। কিন্তু এই মোতায়েনের পর শত শত পুলিশ অফিসার নিখোঁজ হয়ে গেছে। সন্দেহ করা হচ্ছে যে তাদের মধ্যে কেউ কেউ আশ-শাবাবের সাথে যোগ দিয়েছে, অন্যরা পালিয়ে গেছে।
সংবাদ মাধ্যমটির সাংবাদিক অভ্যন্তরীণ পুলিশের নথিপত্র অ্যাক্সেস করেছে, এতে নাম এবং পদমর্যাদা অনুসারে ১৪৫ জন নিখোঁজ কর্মকর্তার তালিকা রয়েছে। অন্যদিকে অন্যান্য সূত্রের মতে এই সংখ্যা ৬০০ এরও বেশি।
এই রিপোর্ট প্রচারের ফলে মোগাদিশু সরকার ৫ জন সাংবাদিককে বন্দী করেছে এবং 5tv স্টেশনে হামলা চালিয়েছে। সেই সাথে টিভি স্টেশনের সম্প্রচার সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে।
তথ্যসূত্র:
– https://tinyurl.com/bdf7hszn


