
ভারতে কেরালা রাজ্যের কোল্লাম জেলায় উগ্র হিন্দুত্ববাদী পুলিশের নির্যাতনের মুখে এক মুসলিম বাস চালকের মৃত্যু হয়েছে।
পরিবারের অভিযোগ, পুলিশি হেফাজতে ভুক্তভোগী সিয়াদকে (২৯) নির্মমভাবে মারধর করা হয়েছে। ফলে তার পাঁজরের হাড় ভেঙে গিয়েছিল এবং ফুসফুসের গুরুতর সংক্রমণ দেখা দিয়েছিল।
২৫ জুলাই (শনিবার) তিরুবনন্তপুরমের সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
১৩ বছর বয়সী এক প্রতিবেশি বালক নিখোঁজের ঘটনায় অভিযোগের সূত্র ধরে বিগত ১৬ জুন সিয়াদকে আটক করা হয়েছিল। পরদিন নিখোঁজ ছেলেটি বাড়ি ফিরে এলে অভিযুক্ত সিয়াদকেও মুক্তি দিয়েছিল পুলিশ।
তবে অভিযোগকারী জানিয়েছে, জিপে উঠানোর সাথে সাথেই সিয়াদকে মারধর করতে আরম্ভ করেছিল পুলিশ। মারধরের সময় অভিযোগকারী জিপের ভিতরেই ছিল। ঐসময় সিয়াদ ব্যাথায় আর্তনাদ করছিল।
পরিবারের দাবি, সিয়াদের ইতিপূর্বে কোনও শারীরিক সমস্যা ছিল না। কিন্তু পুলিশের নির্যাতনের পর তিনি ৮ দিন ধরে পানিও পান করতে পারেন নি। তারা আরও জানায়, ভুলবশত অন্য একজন ভেবে সিয়াদকে এমন নৃশংসভাবে মারধর করা হয়েছিল।
হেফাজতে নিপীড়নের অভিযোগ অস্বীকার করেছে পুলিশ, তবে ঘটনাটি বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে বলে জানা গেছে।
উক্ত ঘটনায় জড়িত পুলিশ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে বিভিন্ন নাগরিক অধিকার সংগঠন ও বিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতারা। অনেকে উক্ত ঘটনার প্রেক্ষিতে উগ্র হিন্দুত্ববাদী সরকারের শাসনাধীন ভারতীয় পুলিশের আচরণের নৃশংসতা নিয়ে প্রশ্ন উত্থাপন করেছে।
তথ্যসূত্র:
1. https://tinyurl.com/4an6duex


