দিনাজপুর সীমান্তে এক মুসলিম নারী ও শিশুকে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা বিএসএফের, শূন্যরেখায় অবস্থান

0
7

দিনাজপুরের ফুলবাড়ী সীমান্তে ভারতীয় এক মুসলিম নারী ও শিশুকে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা চালিয়েছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। তবে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও স্থানীয় লোকজনের তৎপরতায় তারা বাংলাদেশের ভূখণ্ডে প্রবেশ করতে পারেনি। বর্তমানে তারা সীমান্তের শূন্যরেখা সংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে বলে জানা গেছে।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৪টায় ফুলবাড়ী ২৯ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্ণেল মোহাম্মদ আরিফ-উজ-জামান গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করে।

এর আগে মঙ্গলবার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে ফুলবাড়ী উপজেলার এলুয়াড়ী ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের জলপাইতলী বিজিবি ক্যাম্পসংলগ্ন সীমান্তে মেইন পিলার ৩০৩ এর ৫ সাব পিলার থেকে ২০ গজ দূরে ভারতের জাকিরপুর এলাকা দিয়ে ওই নারী ও শিশুকে বাংলাদেশে পাঠানো হয়।

পুশ-ইনের জন্য শূন্য রেখায় আনা দুজন হলেন- ভারতের আজমির জেলার দারোগাবাজার থানার আন্দারকোট গ্রামের মুহিন ইসলামের স্ত্রী সুলতানা বেগম (৪০) ও তার মেয়ে আলেয়া (৮)।

জানা গেছে, ভোরে বিএসএফ ১ শিশুসহ ২ জনকে পুশ-ইনের চেষ্টা করে। এসময় শূন্যরেখায় ২ জনকে মারধরও করে বিএসএফ। পরে বিষয়টি টের পেলে স্থানীয়রা বিজিবি খবর দেয়। পরে বিজিবি ও স্থানীয়রা তাদের বাংলাদেশে প্রবেশে বাধা দিলে তারা শূন্যরেখায় অবস্থান নেন।

স্থানীয় ইউপি সদস্য মতিয়ার রহমান গণমাধ্যমকে জানান, তাদের কাছে ভারতীয় আধার কার্ড রয়েছে। সকালে আমার তার কাছে এলে তিনি বিষয়টি বিজিবিকে জানান। পরে তারা সীমান্তের বানাহার এলাকায় অবস্থান নেন।

২৯ বিজিবির অধিনায়ক সাংবাদিকদের জানায়, ভোরে বিএসএফ ২ জন ভারতীয়কে পুশ-ইনের চেষ্টা করে। তবে বিজিবি ও স্থানীয় জনগণের তৎপরতায় তা ভেস্তে যায়। বর্তমানে তারা শূন্যরেখায় অবস্থান করছে। এ ব্যাপারে বিজিবি ও বিএসফের মধ্যে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।

 


তথ্যসূত্র:
১। বিএসএফের পুশইন চেষ্টা রুখে দিল বিজিবি ও স্থানীয়রা, শূন্যরেখায় নারী ও শিশু
– https://tinyurl.com/y8hf2nju

মন্তব্য করুন

দয়া করে আপনার মন্তব্য করুন!
দয়া করে এখানে আপনার নাম লিখুন

পূর্ববর্তী নিবন্ধরাশিয়ার সঙ্গে আফগানিস্তানের বাণিজ্য বেড়েছে আড়াই গুণ
পরবর্তী নিবন্ধকাশ্মীরে কথিত ‘উচ্চ-ঝুঁকিপূর্ণ’ তকমায় আটক বন্দিদের জন্য উচ্চনিরাপত্তার কারাগার, একাকী বন্দিত্ব ও কঠোর নজরদারির পরিকল্পনা