
যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর থাকার পরও গাজাজুড়ে বর্বর ইসরায়েলি হামলা ও গোলাবর্ষণ অব্যাহত রয়েছে। ০৮ অক্টোবর, বৃহস্পতিবার গাজার বিভিন্ন এলাকায় এসব হামলায় এক নারীসহ অন্তত পাঁচ ফিলিস্তিনি শহীদ হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন প্রায় ১৮ জনেরও বেশি মানুষ। বাস্তুচ্যুত মানুষের তাঁবু, বেসামরিক যানবাহন ও আবাসিক স্থাপনা লক্ষ্য করে এ হামলা গুলো চালানো হয়েছে।
গাজা সিটির উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের আল-তাওয়াম এলাকায় মিসরীয় শিবিরে বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিদের একটি তাঁবুতে বর্বর ইসরায়েলি বিমান হামলায় আহত মোহাম্মদ রজব ওয়ারশ আগা পরে শহীদ হন। এর আগে ওই হামলায় দুজন আহত হওয়ার খবর জানিয়েছিল ফিলিস্তিন রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির উত্তরাঞ্চলীয় মাঠ হাসপাতালের একটি চিকিৎসা সূত্র। আহতদের মধ্যে একজনের অবস্থা ছিল আশঙ্কাজনক।
গাজা সিটির তেল আল-হাওয়া এলাকায় একটি বেসামরিক যানবাহনে সন্ত্রাসী ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় আরও দুই ফিলিস্তিনি শহীদ হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন তিনজন, যাঁদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। হতাহতদের আল-শিফা হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া গাজা সিটির উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের আমের প্রকল্প এলাকায় বাস্তুচ্যুত একটি পরিবারের তাঁবুতে ইসরায়েলি গোলাবর্ষণে ৩০ বছর বয়সী আহলাম মুবারক শহীদ হয়েছেন। তার স্বামী গুরুতর আহত হয়েছেন এবং তাঁদের দুই সন্তানও আহত হয়েছে।
এদিকে প্রায় এক সপ্তাহ আগে গাজা সিটিতে একটি যানবাহনে ইসরায়েলি বিমান হামলায় আহত আহমেদ খামিস আবু নাজা চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। গাজা সিটির উপকূলে ইসরায়েলি নৌবাহিনী গুলিবর্ষণ ও গোলা নিক্ষেপ করেছে। একই সময়ে উপত্যকার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের আল-সুদানিয়া এলাকায় গোলাবর্ষণ এবং দক্ষিণে রাফাহর উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের আল-মাওয়াসিতে একটি বাড়িতে হামলায় সাত ফিলিস্তিনি আহত হয়েছেন।
স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে, দক্ষিণ গাজার খান ইউনিসের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ইসরায়েলি বাহিনী আবাসিক ভবন ও অন্যান্য স্থাপনা গুঁড়িয়ে দিয়েছে। বানি সুহেইলা গোলচত্বরের কাছে ইসরায়েলি বাহিনীর নিক্ষেপ করা ধোঁয়া বোমার কারণে বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিদের কয়েকটি তাঁবুতে আগুন ধরে যায়।
তথ্যসূত্র
1. 5 Palestinians killed, over dozen injured in Israeli attacks across Gaza
– https://tinyurl.com/45eautax


