
ভারতে পাঞ্জাবের অমৃতসরে মন্দিরে আটকে রেখে দুই দলিত নারীকে লাগাতার ধর্ষণ করেছে মন্দিরের প্রধান পুরোহিতসহ আরও তিন অভিযুক্ত।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ধর্ষণের শিকার দুই নারী তাদের দুরবস্থার কথা জানিয়ে পাঞ্জাবের তফশিলি কমিশনের সদস্য তারসেম সিংকে চিঠি লিখেন। ওই অভিযোগের ভিত্তিতে অমৃতসরের লোপোকে থানার পুলিশ সংশ্লিষ্ট মন্দিরে (গুরু জ্ঞান নাথ আশ্রম বাল্মীকি তীর্থ) অভিযান চালায়।
অভিযানে মন্দির থেকে দুই নারীকে উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে মন্দিরের প্রধান পুরোহিত মহন্ত গিরিধারি নাথ ও তার সহযোগী বারিন্দর নাথকে গ্রেপ্তার করা হয়। অন্য দুই অভিযুক্ত নাছট্টর সিং ও সুরজ নাথ পালিয়ে যায়।
স্থানীয় ডিএসপি প্রতাপ সিং জানায়, তফশিলি কমিশনের সদস্য তারসেম সিং সায়ালকার অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযান চালায়। গ্রেপ্তার দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পলাতক অভিযুক্তদের সন্ধানের চেষ্টা চলছে।
পর্যবেক্ষকদের মতে, মুসলমানদের মসজিদ-মাদ্রাসাকে কেন্দ্র করে কোনো অপরাধের অভিযোগ উঠলে হিন্দুত্ববাদী ও কিছু সেক্যুলার গোষ্ঠী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক প্রচার ও সমালোচনায় সরব হয়। অথচ মন্দির বা পুরোহিতকে ঘিরে এমন গুরুতর অভিযোগের ক্ষেত্রে একই মাত্রার প্রতিক্রিয়া দেখা যায় না। এই নির্বাচিত প্রতিবাদ ও নীরবতা ইসলামবিরোধী সমাজের দ্বৈত মানদণ্ড নিয়ে প্রশ্ন তোলে।
তথ্যসূত্র:
1. https://tinyurl.com/46azkvyu


