ভোলার ঘটনা কি ভুলে যাবার মতো?

0
224

ফেসবুকে নবী হজরত মুহাম্মদ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে নিয়ে কটূক্তির প্রতিবাদে ভোলার বোরহানউদ্দিনে আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশ সন্ত্রাসী পুলিশের গুলিতে চারজন নিহত এবং কয়েক শ’ লোক আহত হওয়ার ঘটনা বড়ই বেদনাদায়ক। পেটুয়া বাহিনীর দাবি, আত্মরক্ষার্থে তারা গুলি চালিয়েছে। কিন্তু স্থানীয়দের অনেকে মনে করেন, সন্ত্রাসী পুলিশ পরিস্থিতির গভীরতা বিবেচনায় নিয়ে আরো সতর্কতা ও বিচক্ষণতার সাথে এগোলে এত বড় অঘটন এড়ানো অসম্ভব হতো।

ফেসবুকে কটূক্তি করে স্ট্যাটাস দেয়ায় মাঝে মধ্যে অপ্রীতিকর ঘটনা প্রায়ই দেখা যাচ্ছে। সোস্যাল মিডিয়া এখন গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগমাধ্যম। সম্প্রতি ফেসবুক স্ট্যাটাসের কারণে শহীদ হন বুয়েটের শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ। ভোলার বোরহানউদ্দিনের ঘটনা দেশের সচেতন মহলকে উদ্বিগ্ন করেছে।

ভোলার বোরহানউদ্দিনে সম্প্রতি যে দুর্ঘটনা ঘটে গেল, তা ভুলে যাওয়ার নয়। সন্ত্রাসী পুলিশের ভূমিকা ও আচরণ এবং তাদের ব্যর্থতা কোথায় তা তদন্তের দাবি রাখে। এদিকে ভোলার ঘটনায় কোনো কোনো মিডিয়া যথাযোগ্য ভূমিকা পালন করতে পারেনি বলে প্রতীয়মান হয়েছে। ‘তৌহিদি জনতা’ নিয়ে বিতর্কে লিপ্ত হওয়ার কিছু নেই। তৌহিদি জনতা কোনো দল নয়। এর মানে ধর্মপ্রাণ মানুষের সমষ্টি। বোরহানউদ্দিনে যা হয়েছে, তা তারা ঈমানি চেতনায় করেছেন। এর আগেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আল্লাহ ও রাসূল সা: সম্পর্কে একই ধরনের কুৎসা ও কটূবাক্য করা হয়েছে। এর স্বাভাবিক ও সঙ্গত প্রতিবাদ তারা করতে চেয়েছেন।


লেখক: খালিদ ইকবাল

মন্তব্য করুন

দয়া করে আপনার মন্তব্য করুন!
দয়া করে এখানে আপনার নাম লিখুন