কাবুল সফরে তাকী ওসমানী (হাফি.)’র নেতৃত্বে উলামাদের দল: টিটিপির ৮ পৃষ্ঠার নথি প্রেরণ

7
2361

দীর্ঘদিন ধরে ইমারাতে ইসলামিয়ার মধ্যস্থতায় কাবুলে পাক-সরকার ও টিটিপি’র প্রতিনিধি দলের মাঝে আলোচনা চলছে। আলোচনায় টিটিপিকে এখন পর্যন্ত যুদ্ধবিরতিতে রাজি কারানো গেলেও অন্যান্য বিষয়গুলোতে নমনীয় করাতে পারেনি সরকার দলীয় প্রতিনিধিরা। আর সেই লক্ষ্যেই সম্প্রতি পাকিস্তান সরকারের পরামর্শে শাইখুল ইসলাম আল্লামা তাকী ওসমানী হাফিজাহুল্লাহ্ এর নেতৃত্বে পাক-আলেমদের ১৩ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল ইমারাতে ইসলামিয়া আফগানিস্তান সফরে যান।

পাক-সরকারের পক্ষ থেকেন নির্ধারণ করে দেওয়া, পাকিস্তানের বিশিষ্ট উলামাদের এই সফরের লক্ষ্য ছিলো, কাবুলে টিটিপি ও পাক-সরকারের মধ্যে চলমান আলোচনা প্রক্রিয়াকে সামনে বাড়ানো এবং টিটিপিকে তাদের দাবি ও শরিয়াহ্ শাসনের ক্ষেত্রে নমনীয় করা।

এই লক্ষ্যে আলেমদের ১৩ সদস্যের এই প্রতিনিধি দলটি কাবুলে তেহরিক-ই-তালিবান পাকিস্তানের প্রতিনিধি দলের সাথে একটি আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন। এসময় ‘তেহরিক-ই-তালিবান পাকিস্তান’ তাদের সম্মানিত আসাতিযায়ে কারেমদের নিকট ৮ পৃষ্ঠার লিখিত নথি প্রেরণ করেন। যা ২টি ভাগে বিভক্ত ছিলো।

প্রথম নথিটিতে মুফতি তাকি উসমানী হাফিজাহুল্লাহ্’র নেতৃত্বে আগত সম্মানিত আলেমদের স্বাগত জানানো হয়। এরপর বলা হয় যে শুধু টিটিপি নয়, অধিকাংশ পশতুনরাই দেওবন্দ উলামাদের অনুসারী। এরপর নথিটিতে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য এবং কেন উপজাতীয় পশতুনরা পাকিস্তানে যোগ দিয়েছিলো তাঁর ব্যাখ্যা করা হয়।

নথির দ্বিতীয় অংশে শরীয়াহ্‌র আলোকে ৬টি পয়েন্টে দীর্ঘ আলোচনা যুক্ত করা হয়। যেখানে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই মুফতী তাকী ওসমানী হাফিজাহুল্লাহ্ এর লিখিত গ্রন্থ থেকেই উদ্ধৃতি টানা হয়।

এই নথিতে গাদ্দার পাক-সরকারের দুর্বলতা ফুটে উঠেছে। কেননা টিটিপিকে সামরিকভাবে দমাতে না পেরে সরকার জিরগার ও ইমারাতে ইসলামিয়ার আশ্রয় গ্রহণ করে। এতেও সফল না হওয়ায় তারা একদল আলেমকে দিয়ে টিটিপিকে তাদের অবস্থান থেকে টলাতে চেষ্টা করছে।

আমরা আমাদের সম্মানিত পাঠকদের সুবিধার্থে উক্ত নথিটির প্রথম দুই পৃষ্ঠার অনুবাদ তুলে ধরছি, যাতে তেহরিক-ই-তালিবান পাকিস্তান বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য আলেমদের স্বরণে তুলে ধরেছিলেন।

الحمد لله، والصلاة والسلام على رسول الله، وعلى آله وصحبه ومن ولاه، أما بعد: فأعوذ بالله من الشيطان الرجيم، ﴿ أذن للذين يقاتلون بأنهم ظلموا وإن الله على نصرهم لقدير ﴾

হামদ ও সালাতের পর…

আমাদের অত্যন্ত শ্রদ্ধেয় ও সম্মানিত মেহমানগণ, মুহতারাম উলামা মাশায়েখ ও আকাবিরীনে ইসলাম! আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।

এটা অত্যন্ত খুশি ও আনন্দের একটি উপলক্ষ যে, আজ ইমারাতে ইসলামিয়ার (আল্লাহ একে সম্মানিত ও স্থায়ী করুন) বরকতময় ছায়াতলে আমরা পাকিস্তানি তালিবান বহু বছর পর আমাদের আকাবির উলামা, আসাতিযায়ে কেরাম এবং বিশেষভাবে বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া পাকিস্তানের সভাপতি, শাইখুল ইসলাম হযরত মাওলানা মুফতি তাকি ওসমানি (হাফিজাহুল্লাহ্, আল্লাহ্ তাআ’লা তাঁর স্থায়িত্বের মাধ্যমে আমাদেরকে উপকৃত করুন) এর সাথে সাক্ষাতের সৌভাগ্য অর্জন করছি।

সর্বপ্রথম আমরা আমাদের আকাবির আসাতেযায়ে কেরাম এবং মুরব্বিদের স্বাগত জানাই, এবং দোয়া করি আল্লাহ তাআলা যেন আমাদের আকাবিরদের এই শুভাগমনকে খায়ের ও বরকতের মাধ্যম বানান, আমীন।

আমরা অন্তরের অন্তস্থল থেকে তাদের কৃতজ্ঞতা ও অনুগ্রহ স্বীকার করছি যে, তাঁরা নিজেদের মূল্যবান সময় থেকে কিছু সময় বের করে এখানে আসার কষ্টটুকু করেছেন। সেই সাথে আমরা ইমারাতে ইসলামিয়ার নেতৃত্বের শুকরিয়া আদায় করছি, যারা এই সুবর্ণ সুযোগের পথ সুগম করেছেন।

সম্মানিত আসাতিযায়ে কেরাম! এটা সত্য যে, আল্লাহ প্রদত্ত ভূখন্ড পাকিস্তানে বসবাসরত গোত্রগুলোর মধ্যে একতা ও শৃঙ্খলা একটি অঙ্গীকার ও চুক্তির রূপে এসেছে। আর এটা সেই অঙ্গীকার ও চুক্তি যা পাকিস্তানের দৃষ্টিভঙ্গি। কিন্তু এই চুক্তি ও অঙ্গীকারকে কার্যক্ষেত্রে বাস্তবায়নের মূল বাধা হচ্ছে পাকিস্তানের সামরিক ও রাজনৈতিক পরিবারগুলো, যারা দুর্ভাগ্যজনকভাবে ফিরিঙ্গিদের (ইংরেজ) উত্তরাধিকার বহন করছে।

আর এটাও একটি বাস্তবতা যে, পাকিস্তানের দৃষ্টিভঙ্গি বাস্তবায়নকে কার্যক্ষেত্রে বাধাগ্রস্থ করা, আল্লাহ প্রদত্ত ভূখণ্ড পাকিস্তানের একতা ও শৃঙ্খলার উপর সুস্পষ্ট আঘাত। যা পাকিস্তানে সশস্ত্র অবস্থানের জন্য শরয়ী ও আখলাকি অনুমোদন দেয়ার শামিল।

সম্মানিত আসাতিযায়ে কেরাম! পশতুন বিশেষ করে গোত্রীয় এলাকাগুলোর স্বাধীনতা ভারত ভাগের মাধ্যমে অর্জন হয়নি। বরং পশতুনসহ অন্যান্য গোত্রীয় এলাকাগুলো সব সময় নিজেদের স্বাধীনতাকে পবিত্র জিহাদের মাধ্যমে টিকিয়ে রেখেছে, আলহামদুলিল্লাহ্।

উপমহাদেশের পুরো ভূখণ্ড যখন ব্রিটিশরা দখল করে নিয়েছিলো, তখন এই বিশাল ভূখণ্ডের মধ্যে শুধু পশতুন ও গোত্রীয় এলাকাগুলোই এমন ছিল যে, তারা ততক্ষণ পর্যন্ত জিহাদের মশাল জ্বালিয়ে রেখেছেন, যতক্ষণ না ইংরেজরা বাধ্য হয়ে এক চুক্তি স্বাক্ষরেরে মাধ্যমে এই জিহাদি ভূমি থেকে চলে যায়।

আল্লাহ প্রদত্ত ভূখণ্ড পাকিস্তান অস্তিত্বে আসার পর পশতুনরা এই শর্তে পাকিস্তানের সাথে মিলিত হয় যে, এখানে ইসলামী শরীয়াহ প্রতিষ্ঠিত হবে। আর এই চুক্তির জন্য শাইখুল ইসলাম হযরত মাওলানা শাব্বির আহমাদ ওসমানি (রহি.) এবং পাকিস্তানের মুফতিয়ে আজম হযরত মাওলানা মুফতী শফী’ (রহি.), মুহাম্মাদ আলী জিন্নাহর কথায় পশতুন ভূমিতে আগমন করেন।

পশতুনদের সংখ্যাগরিষ্ঠই যেহেতু উলামায়ে দেওবন্দের আকিদার অনুসরণে বিশ্বাসী, তাই তারা এই সম্মানিত ব্যক্তিদ্বয়ের কথামতো পাকিস্তানের সাথে সংযুক্ত হওয়ার মতামত এই শর্তে পেশ করে যে, এখানে ইসলামী শরিয়াহ্ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হবে। এমনিভাবে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার কয়েক বছর পর সোওয়াতের কর্তৃত্বাধীন পুরো ভূখণ্ড ইসলামী শাসন প্রতিষ্ঠার শর্তেই পাকিস্তানে অন্তর্ভুক্ত হয়।

কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে সাত দশক পেরিয়ে গেলেও ইসলামী শাসন কার্যকর হওয়ার অঙ্গীকার পূরণ করা হয়নি। বরং এটাকে কার্যকর করার আওয়াজ উঠানোও এখানকার পাকিস্তানি সেনাবাহিনী ক্ষমার অযোগ্য অপরাধ মনে করে। অথচ ডুরান্ড লাইন এর আশপাশে বসবাসরত গাজী ও মুজাহিদ গোত্রীয় এলাকাগুলোর পবিত্র জিহাদের ফলে ইংরেজরা বাধ্য হয়ে গোত্রীয় এলাকাগুলোর সাথে একটি প্রসিদ্ধ চুক্তি করেছিল, সেখানেও এই গোত্রগুলোর স্বাধীনতাকে মেনে নেওয়া হয়েছিল এবং পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর মুহাম্মদ আলী জিন্নাহও এটাকে সমর্থন করেছিল।

এই গোত্রীয় এলাকাগুলোর স্বাধীনচেতা শক্তিই ফিরিঙ্গি সাম্রাজ্যকে পরাজিত ও ছিন্ন ভিন্ন করে দিয়েছিল। আর এই স্বাধীনচেতা গোত্রগুলোই পরবর্তীতে সোভিয়েত ইউনিয়নের নাস্তিকতার সয়লাবের মোকাবেলায় মুজাহিদীনে ইসলামের জন্য সবচেয়ে বড় আশ্রয়কেন্দ্র ও ঘাঁটি হয়েছিল। যার বরকতে লাল ভালুকের দল টুকরো টুকরো হয়ে যায় এবং তাদের অনিষ্টতা থেকে পুরো ভূখণ্ড সুরক্ষিত হয়।

নাইন ইলেভেনের পর যখন বৈশ্বিক কুফ্ফার শক্তি ও তার দোসররা আমেরিকার নেতৃত্বে ইমারাতে ইসলামিয়ার উপর হামলা করে, তখন এই স্বাধীনচেতা গোত্রগুলোই মুজাহিদীন ও মুহাজিরীনদের আশ্রয় দেয়। আর এই স্বাধীন গোত্রগুলো থেকেই তৎকালীন পবিত্র জিহাদের সারিগুলো সুবিন্যস্ত করা হয়। যার ফলে আমেরিকা ও তার মিত্রশক্তি পরাজিত হয় এবং ইমারতে ইসলামিয়া দ্বিতীয়বারের মতো প্রতিষ্ঠিত হয়।

গোত্রীয় এলাকাগুলোর এমন স্বাধীনচেতা দ্বীনি ও জিহাদী গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম দেখে বৈশ্বিক কুফ্ফার এবং তাদের স্থানীয় এজেন্টরা অবস্থার সুযোগ নিয়ে তাদের বিরুদ্ধে উঠেপড়ে লাগে। তারা গোত্রগুলোর স্বাধীনচেতা শক্তিকে নিঃশেষ করে তাদেরকে গোলামে পরিণত করতে চায় এবং গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থার অধীন করতে চায়। যা তেহরিক-ই-তালিবান পাকিস্তানের মুজাহিদীনের (যারা নিজেদের পিতৃপুরুষের আসল উত্তরাধিকারী) নিকট কোন অবস্থায়ই গ্রহণযোগ্য নয়। এবং তারা কোন অবস্থাতেই নিজেদের স্বাধীন গোত্রীয় জীবনের পরিবর্তে গোলামীর জিন্দেগি মেনে নিতে এবং এই শাসনের অধীনে থাকতে প্রস্তুত নয়।

সম্মানিত আসাতিযায়ে কেরাম! বাস্তবতা এটাই যে, চলমান যুদ্ধের সূচনা আমরা করিনি। বরং এই যুদ্ধ আমাদের উপরে চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। আমেরিকা ৪৮টি দেশের সহযোগিতা ও মিত্রতায় (যার মধ্যে পাকিস্তান ফ্রন্টও অন্তর্ভুক্ত ছিল) ইমারাতে ইসলামিয়ার উপর হামলা করে। যার ফলে হাজারো মুহাজির আমাদের স্বাধীন গোত্রীয় এলাকায় ও দেশের অন্যান্য শহরে হিজরত করেন। উলামাদের সম্মিলিত ফতওয়ায় ইমারাতে ইসলামিয়ার পক্ষ হয়ে প্রতিরক্ষা করা আমাদের উপরেও ফরজ হয়ে যায়। তাই আমরা আমাদের স্বাধীন ভূখণ্ডে ইমারাতে ইসলামিয়া থেকে আসা ওই সকল মুহাজিরদের আশ্রয় দিই। এবং আমাদের পক্ষ থেকে নিজস্ব উপকরণের মাধ্যমে ইমারাতে ইসলামিয়ার প্রতিরক্ষার জন্য আফগানিস্তানের অভ্যন্তরে যুদ্ধরত ক্রুসেডার বাহিনী এবং তাদের স্থানীয় এজেন্টদের বিরুদ্ধে সশস্ত্র যুদ্ধ আরম্ভ করি।

কিন্তু এসময় পাকিস্তানের ইসলাম বিদ্বেষী গোলাম সেনাবাহিনী তাদের পশ্চিমা প্রভুদের সন্তুষ্ট করতে এবং তাদের থেকে ডলার কামানোর আশায়, আমেরিকান ক্রুসেডার বাহিনীর সাথে মিলে গোত্রীয় এলাকাগুলোর স্বাধীন ভূমি এবং তাদের সম্মানিত মেহমানদের উপর হামলা শুরু করে। যার ফলে হাজারো মানুষ শহীদ হন এবং ওয়াজিরিস্থান থেকে নিয়ে সোয়াত পর্যন্ত অসংখ্য দ্বীনি মাদরাসা ও মাসজিদ নিশ্চিহ্ন করে দেয়া হয়। সেই সাথে পাকিস্তানের অন্যান্য শহরেও মুহাজির মুজাহিদিন ও তাদের সহমর্মী আনসারদের গ্রেফতার করার অনিঃশেষ ধারাবাহিকতা আরম্ভ করে। সেসময় ছয় শতাধিক মুজাহিদকে ‘যার মধ্যে ডক্টর আফিয়া সিদ্দিকাও (ফাক্কাল্লাহু আসরহা) ছিলেন’, তাদেরকে তারা তাদের আমেরিকান প্রভুদের নিকট হস্তান্তর করে। যার প্রতিক্রিয়ায় উলামায়ে দেওবন্দের সাথে সংশ্লিষ্ট সুপ্রতিষ্ঠিত দ্বীনি মাদারিসের পাঁচ শতাধিক বিশিষ্ট ও জায়্যিদ আলিম ও মুফতিগণ পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে সশস্ত্র জিহাদ করার ফতোয়া দেন। এই ফতোয়ার উপর ভিত্তি করেই আমরা আমাদের পবিত্র জিহাদের দিক পরিবর্তন করে পাকিস্তানের দিকেও মনোনিবেশ করি। এবং উভয় রণাঙ্গনে এমনভাবে পবিত্র জিহাদের ধারাবাহিকতা আরম্ভ করি যে, এক ময়দানে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআ’লা আমাদেরকে উপমাহীন বিরাট বিজয়ের মাধ্যমে পুরস্কৃত করেন, আলহামদুলিল্লাহ্। আমরা আশা করি যে, আল্লাহ তাআ’লা অপর ময়দানেও আমাদেরকে উপমাহীন বিরাট বিজয়ের মাধ্যমে পুরস্কৃত করবেন।

আলহামদুলিল্লাহ্, আমরা না তো ক্লান্ত হয়েছি আর না আশাভঙ্গ হয়েছি। কেননা জিহাদ হতাশা ও নিরাশার পথ নয়। বরং এটা সুনিশ্চিত যে জিহাদ ধৈর্য ও পরীক্ষার পথ। এবং এমন একটি ফরজ আমল যার প্রতিদান সীমাহীন। যে সকল পরিবর্তন বাহ্যিকভাবে অসম্ভব মনে হয়, জিহাদের আশ্চর্য ও বরকতময় আমলের মাধ্যমে তা সম্ভব হয়ে অস্তিত্ব লাভ করে। ইসলামের ইতিহাস শুরু থেকে নিয়ে আজ পর্যন্ত যার সাক্ষী হয়ে আছে।

সম্মানিত আসাতিযায়ে কেরাম! পাকিস্তানের ইসলাম বিরোধী সামরিক সংস্থাগুলো এবং তাদের একনিষ্ঠ গোলামরা তেহরিক-ই-তালিবান পাকিস্তানের মুজাহিদদের বিরুদ্ধে অনবরত ভুল প্রচারণা ও প্রোপাগান্ডা ছড়াচ্ছে, যার কোন বাস্তবতা নেই। আলহামদুলিল্লাহ্, তেহরিক-ই-তালিবান পাকিস্তান না তো দেশবিরোধী কোন আন্দোলন, আর না দেশের শত্রুদের অধীনে পরিচালিত। আর না কোন খারেজি ও তাকফিরি চিন্তাভাবনা ও আকিদায় প্রভাবিত। বরং একটি স্বাধীন, স্বেচ্ছাধীন এবং আহলুস সুন্নাহ্ ওয়াল জামা’আতের পথ ও পদ্ধতির উপর প্রতিষ্ঠিত সশস্ত্র এক জিহাদী শক্তি।

আমরা পাকিস্তানের ব্যাপারে ঐ কথার উপরই বিশ্বাস রাখি যে, পাকিস্তানের (পূর্বোক্ত) দৃষ্টিভঙ্গির বাস্তবায়নই আল্লাহ প্রদত্ত ভূখণ্ড পাকিস্তানের স্থিতি, একতা, শান্তি, সমৃদ্ধি ও উন্নতির একক নিশ্চয়ক।

ওয়াসসালাম।
তেহরিক-ই-তালিবান পাকিস্তান।



অনুবাদক ও সংকলক :  ত্বহা আলী আদনান

7 মন্তব্যসমূহ

  1. বারাকাল্লাহু ভাই, আপনার লেখায় আল্লাহ তায়ালা নূর দান করুন যে নূরে নূরানীত হবে উপমহাদেশে, আমারা দোয়া করি আল্লাহ যেন আপনি ও আপনার পরিবার সবাইকে ইমানি মৃত্যু দান করেন। আমীন ইয়া রাব্বাল আলামীন।

  2. বারাকাল্লাহু ভাই, আপনার লেখায় আল্লাহ তায়ালা নূর দান করুন যে নূরে নূরানীত হবে উপমহাদেশে, আমারা দোয়া করি আল্লাহ যেন আপনি ও আপনার পরিবার সবাইকে ইমানি মৃত্যু দান করেন। আমীন ইয়া রাব্বাল আলামীন।

মন্তব্য করুন

দয়া করে আপনার মন্তব্য করুন!
দয়া করে এখানে আপনার নাম লিখুন