
চট্টগ্রামের রাউজানে টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এতে চট্টগ্রাম-কাপ্তাই সড়কসহ অভ্যন্তরীণ সড়ক, বসতঘর, দোকানপাট এবং বিভিন্ন স্থাপনা পানির নিচে তলিয়ে গেছে। বেড়েছে হালদা ও কর্ণফুলী নদীর পানি। উপজেলার ১৪টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার বিভিন্ন স্থানে খাল ভেঙে পানি ঢুকেছে লোকালয়ে। পানিবন্দি রয়েছে অর্ধলক্ষাধিক মানুষ।
সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে রাউজান পৌরসভার ৪ ও ৫ নম্বর ওয়ার্ড, চিকদাইর, ডাবুয়া, কদলপুর, পাহাড়তলী ও উরকিরচর ইউনিয়নে। এদিকে মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সকাল থেকে চট্টগ্রাম-কাপ্তাই সড়কের ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হয়। এতে ভোগান্তিতে পড়েন চালক ও যাত্রীরা। এছাড়া চৌমুহনী কাঁচাবাজারও পানির নিচে তলিয়ে যায়।
জানা যায়, চট্টগ্রাম-কাপ্তাই সড়ক, কদলপুর সড়কসহ বিভিন্ন এলাকার অভ্যন্তরীণ সড়ক ডুবে গেছে। বসতঘরে পানি ঢুকেছে। কোথাও খাটের ওপরে, আবার কোথাও কোমর থেকে বেশি পরিমাণ পানি। সড়ক ভেঙে চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। পুকুরের মাছ ভেসে গেছে, নষ্ট হয়ে গেছে কৃষকের বীজতলা।
রাউজান পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দারা সাংবাদিকদের বলেন, ‘ডাবুয়া খাল ভেঙে অর্ধশতাধিক বাড়িঘর পানির নিচে তলিয়ে গেছে। জ্বলছে না চুলার আগুন, অনেক কষ্টে রাত কাটাচ্ছি।’
রাউজান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম রাহাতুল ইসলাম বলেন, ‘খাল ভাঙার তথ্য পেয়েছি, বাঁধ দেওয়ার জন্য ঠিকদারকে বলেছি। পৌরসভার বিষয়টি পৌর প্রশাসক পর্যবেক্ষণ করছেন। পানির নিচে তলিয়ে যায় চট্টগ্রাম-কাপ্তাই সড়ক। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাস না করে নিকটবর্তী আশ্রয়কেন্দ্রে চলে যাওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এখনো বৃষ্টি হচ্ছে, অবস্থা পর্যবেক্ষণ করে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।’
তথ্যসূত্র:
১। রাউজানে টানা বর্ষণে জ্বলছে না চুলা, বিশুদ্ধ পানিরও অভাব
– https://tinyurl.com/ycyxtbe7


