
গত পাঁচ বছরে দেশের বন ও কৃষি খাতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জিন করেছে ইমারাতে ইসলামিয়া। এই সময়ে দেশের বনায়ন ও পরিবেশ সংরক্ষণে সারাদেশে ১১ কোটি চারা রোপণ করা হয়েছে। আফগানিস্তান আন্তর্জাতিক কৃষি ও প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আফগানিস্তানের কৃষি, সেচ ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মৌলভী আতাউল্লাহ ওমরী হাফিযাহুল্লাহ এ তথ্য জানিয়েছেন।
কাবুলে আন্তর্জাতিক কৃষি ও পশুপালন প্রদর্শনীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে মৌলভী আতাউল্লাহ ওমরী হাফিযাহুল্লাহ গত পাঁচ বছরে বন ও পরিবেশ সংরক্ষণে নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন। তিনি জানান, এ সময়ে আফগানিস্তানের বিভিন্ন এলাকায় মোট ১১ কোটি চারা রোপণ করা হয়েছে। পাশাপাশি, ইমারাতে ইসলামিয়া ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকে বিভিন্ন প্রদেশে ৭১ হাজার নতুন গ্রিনহাউস স্থাপন করা হয়েছে, যা স্থানীয় শাকসবজি উৎপাদন বাড়িয়েছে এবং কোটি কোটি আফগানি মূল্যের আমদানি কমিয়েছে।
তিনি বলেন, বনভূমি সংরক্ষণের পাশাপাশি দেশের কৃষি উৎপাদন বাড়াতেও বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এর অংশ হিসেবে ইমারাতে ইসলামিয়ার ক্ষমতায় আসার পর থেকে দেশের বিভিন্ন প্রদেশে ৭১ হাজার নতুন গ্রিনহাউস স্থাপন করা হয়েছে।
এসব গ্রিনহাউস বা সবুজ ঘরের মাধ্যমে স্থানীয়ভাবে সবজি উৎপাদন উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে দেশের বাজারে স্থানীয় উৎপাদিত সবজির সরবরাহ বাড়ার পাশাপাশি বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয় করে বিদেশ থেকে সবজি আমদানির প্রয়োজনও কমেছে।
ইমারাতে ইসলামিয়া আফগানিস্তানের এই অর্জন কৃষি খাতে আত্মনির্ভরতার পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। বনায়ন ও গ্রিনহাউস স্থাপনের মাধ্যমে শুধু পরিবেশ রক্ষাই নয়, বরং খাদ্য উৎপাদন বাড়িয়ে দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিতেও ভূমিকা রাখছে। একই সঙ্গে স্থানীয় কৃষিকে শক্তিশালী করে দেশের খাদ্য ও অর্থনৈতিক আত্মনির্ভরতার পথকে আরও সুদৃঢ় করার সুযোগ তৈরি হয়েছে।
তথ্যসূত্র
1. Minister of Agriculture, Irrigation and Livestock Mawlawi Attaullah Omari says significant progress has been made
– https://tinyurl.com/mt7m4s5z


