উত্তর প্রদেশে লাউডস্পিকারে আজান দেওয়াকে অপরাধ গণ্য করে মসজিদের ইমাম আটক

0
3

ভারতের উত্তর প্রদেশে মসজিদের লাউডস্পিকারে আজান দেওয়ার ঘটনায় ইমামকে গ্রেপ্তার করেছে হিন্দুত্ববাদী পুলিশ। পাশাপাশি মসজিদের লাউডস্পিকারটিও জব্দ করা হয়।

শনিবার (১০ অক্টোবর) উত্তর প্রদেশের বিজনর জেলার মাকবারা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

সূত্রমতে, ‘সমাধান দিবস’ নামের একটি অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের জন্য যাচ্ছিল জেলা ম্যাজিস্ট্রেট উমেশ প্রতাপ সিং এবং পুলিশ সুপার কৃষ্ণ কুমার বিষ্ণোই। এ সময় মাকবারা এলাকার একটি মসজিদ থেকে তারা আজানের শব্দ শুনতে পায়। তারা লাউডস্পিকারে আজান দেওয়াকে অপরাধ গণ্য করে মসজিদটিতে পুলিশ প্রেরণ করে।

পুলিশ মসজিদের লাউডস্পিকারটি জব্দ করে। একই সঙ্গে মসজিদের ইমাম মোহাম্মদ ফয়জানকে আটক করে।

পুলিশের দাবি, লাউডস্পিকারের শব্দ নির্ধারিত সীমার চেয়ে বেশি ছিল। পুলিশ ভুক্তভোগী ইমামের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে। আটকের পর ভুক্তভোগী ইমামকে ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে হাজির করা হয়। আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয়।

হিন্দুত্ববাদী প্রশাসন এতটুকুতেই ক্ষান্ত হয় নি। লাউডস্পিকার সংক্রান্ত নিয়মাবলী বাস্তবায়নে অবহেলার অভিযোগে বিট কনস্টেবল ললিত কুমারকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে পুলিশ সুপার।

তবে লাউডস্পিকারের শব্দ আদৌ নির্ধারিত সীমা অতিক্রম করেছিল কিনা পুলিশ তা সঠিকভাবে যাচাই করেনি বলে অভিযোগ ওঠেছে।

এছাড়া শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণের নামে কেবল মুসলমানদের মসজিদ-মাদ্রাসাগুলোকেই নিশানা বানাচ্ছে উগ্র হিন্দুত্ববাদী প্রশাসন। অপরদিকে হিন্দুদের মন্দির, বিভিন্ন ধর্মীয় যাত্রা, মেলা কিংবা নাচ-গানের অনুষ্ঠানে ব্যাপক শব্দ দূষণের ঘটনা ঘটলেও হিন্দুত্ববাদী প্রশাসন সেদিকে মোটেই ভ্রুক্ষেপই করছে না বলে জোরালো অভিযোগ রয়েছে।


তথ্যসূত্র:
1. https://tinyurl.com/2yp963xk

মন্তব্য করুন

দয়া করে আপনার মন্তব্য করুন!
দয়া করে এখানে আপনার নাম লিখুন

পূর্ববর্তী নিবন্ধবুরকিনায় জান্তার বিরুদ্ধে জেএনআইএম প্রতিরোধ যোদ্ধাদের ১২ অভিযান: ৭টি সামরিক ঘাঁটি বিজয়
পরবর্তী নিবন্ধপাকিস্তানে শত্রু সেনা কনভয় ও পোস্টে আইএমপি প্রতিরোধ যোদ্ধাদের শক্তিশালী সফল অভিযান: সেনা সদস্য ভর্তি গাড়ি ধ্বংস