
পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশে দেশটির সন্ত্রাসী সেনাবাহিনীর উপর ধারাবাহিক ৪টি অভিযান চালিয়েছেন সশস্ত্র ইসলামি প্রতিরোধ বাহিনী ইত্তেহাদুল মুজাহিদিন পাকিস্তান (আইএমপি)। সাদায়ে হক মিডিয়া থেকে গত ১১ ও ১২ অক্টোবর পৃথক বিবৃতিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়।
বিবৃতি অনুযায়ী, গত ১১ অক্টোবর রবিবার, বান্নু জেলার জানি খেইল সীমান্তের কাইজার আলি খেল এলাকায় একটি সেনা ক্যাম্পে স্নাইপার ও গ্রেনেড লঞ্চার দিয়ে হামলা চালান ইত্তেহাদুল মুজাহিদিন পাকিস্তান (আইএমপি) যোদ্ধারা। এতে শত্রু বাহিনীর একটি সিকিউরিটি ক্যামেরা ধ্বংস হয়ে যায়।
একই দিনে উত্তর ওয়াজিরিস্তানের প্রিয়াত সীমান্তের ঘোয়ান্দাকি এলাকা এবং স্পিনওয়াম সীমান্তে আরও ২টি পৃথক অভিযান চালান প্রতিরোধ যোদ্ধারা। অভিযানগুলো সন্ত্রাসী সেনাবাহিনীর ২টি চেকপোস্টে ভারী অস্ত্র ব্যবহার করে চালানো হয়েছে। ফলশ্রুতিতে শত্রু বাহিনীতে হতাহত ও বস্তুগত ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটে।
এছাড়া গত ১২ অক্টোবর সোমবার, দক্ষিণ ওয়াজিরিস্তানের আজম ওয়ারসাক সীমান্তের ওয়ারসাক এলাকায় আরও একটি সফল অভিযান চালিয়েছেন ইত্তেহাদুল মুজাহিদিনরা। অভিযানটি উক্ত এলাকার এমন একটি স্কুলে চালানো হয়েছে, যা শত্রু সেনাবাহিনী দখল করে সামরিক চৌকি হিসাবে ব্যবহার করছিল। প্রতিরোধ যোদ্ধারা রকেট ও মেশিনগান ব্যবহার করে উক্ত চৌকিটিকে হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করেন।
আইএমপি মুখপাত্র মাহমুদুল হাসান (হাফিযাহুল্লাহ) প্রতিটি বিবৃতিতেই শত্রু বাহিনীর জান ও মালের ক্ষয়ক্ষতির সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করেছেন।
তথ্যসূত্র:
– https://x.com/IMPmedia7/status/2109257853357703565
– https://x.com/IMPmedia7/status/2109286449442935108
– https://x.com/IMPmedia7/status/2109675991018696742
– https://x.com/IMPmedia7/status/2110003856184627304


