
রাতের একটি রহস্যজনক ফোনকলের পর বাড়ি থেকে বেরিয়ে ছিলেন মাইক্রোবাসচালক সুমন। এরপর আর বাড়ি ফেরা হয়নি তার। পরদিন সকালে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার একটি মৎস্য ঘের থেকে তার লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হওয়া বিভিন্ন আলামত ও পরিবারের হত্যার অভিযোগকে কেন্দ্র করে ঘটনাটি ঘিরে রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে।
সোমবার (২০ জুলাই) সকালে সদর উপজেলার মাগুরা-কৈখালী বিল এলাকার কেসমত আলীর মৎস্য ঘের থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত সুমন (৩৫) সদর উপজেলার কৈখালী গ্রামের আব্দুল হামিদের ছেলে। তিনি পেশায় মাইক্রোবাসচালক ছিলেন।
স্থানীয় সূত্র জানায়, সকালে ঘেরের মালিক কেসমত আলী টংঘরের বাতি বন্ধ করতে গিয়ে পানিতে একটি লাশ ভাসতে দেখেন। পরে স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ উদ্ধার করে। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে বিদ্যুতের কাটা তার, লোহা কাটার দুটি ব্লেড, একটি সিমবিহীন বাটন মোবাইল ফোন ও একটি সিগারেটের প্যাকেটসহ কয়েকটি আলামত জব্দ করা হয়।
নিহতের পরিবারের সদস্যরা জানান, রোববার রাত ১১টার দিকে একটি ফোনকল পেয়ে সুমন বাড়ি থেকে বের হন। এরপর থেকে তার কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।
তাদের দাবি, পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে তার লাশ ঘেরে ফেলে রাখা হয়েছে।
সাতক্ষীরা সদর থানার ওসি মুহা. মাসুদুর রহমান বলেন, লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও তদন্তের ভিত্তিতে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।
তথ্যসূত্রঃ
https://tinyurl.com/337chjjz


