
শরীয়তপুরের নড়িয়ায় স্বামীকে বেঁধে রেখে এক গৃহবধূকে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। পরে গ্রামবাসীর সহায়তায় পুলিশ ওই নারীকে উদ্ধার করে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করেছে। সেই সঙ্গে আটক করা হয়েছে তিন ব্যক্তিকে।
গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, সোমবার (২৭ জুলাই) রাতে শরীয়তপুর সদর উপজেলার একটি গ্রামের ওই গৃহবধূর স্বামীকে পূর্বপরিচিত কয়েকজন বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায়। এরপর স্বামীকে একটি নির্জন স্থানে গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখা হয়। একপর্যায়ে তাকে দিয়ে ফোন করিয়ে স্ত্রীকে সেখানে ডেকে আনে ওই ব্যক্তিরা। এরপর রাত সাড়ে ১১টার দিকে ওই নারীকে দুই ব্যক্তি ধর্ষণ করে। এ সময় ওই নারীর চিৎকার শুনে স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা সেখানে ছুটে যান। তারা ৯৯৯–এ ফোন করে পুলিশকে ঘটনাটি জানান।
পুলিশ গণমাধ্যমকে জানায়, ‘আমরা যতটুকু জানতে পেরেছি, ওই নারীর স্বামীর সঙ্গে স্থানীয় একটি পক্ষের মাদকের বিষয় নিয়ে বিরোধ চলছিল। পুলিশ তদন্ত করে পুরো বিষয় খতিয়ে দেখছে। আর ধর্ষণের ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।’
ভুক্তভোগী নারী সাংবাদিকদের জানায়, ‘রাতে কয়েকজন ব্যক্তি আমার স্বামীকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায়। পাশের একটি গ্রামের নির্জন স্থানে নিয়ে তাকে জিম্মি করে। এরপর রাত ১০টার দিকে আমাকে ফোন করে নগদ অর্থ ও স্বর্ণালংকার নিয়ে সেখানে যেতে বলে। গিয়ে দেখি, আমার স্বামীকে একটা গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখা হয়েছে। আরেকটি গাছের আড়ালে নিয়ে আমার মুখ চেপে দুই ব্যক্তি ধর্ষণ করেছে আমাকে। তাদের থেকে বাঁচার জন্য অনেক কাকুতি–মিনতি করেছি, তাদের পায়ে ধরেছি। কিন্তু কেউ কোনো কথা শোনেনি।’
তথ্যসূত্র:
১। শরীয়তপুরে স্বামীকে বেঁধে রেখে গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগ
– https://tinyurl.com/yc4f3fwr


