হিন্দুত্ববাদীদের লাগামহীন বক্তব্য ও বুলডোজার আতঙ্কে ভারতীয় মুসলিমরা

3
131

ভারতে মুসলিম গণহত্যার জন্য মাঠ গরম করতে হিন্দুত্ববাদী সন্ত্রাসীরা লাগামহীন মুসলিম বিদ্বেষী বক্তব্য দিয়ে যাচ্ছে। গণহত্যার বাতাবরণ তৈরীতে পরিকল্পিতভাবে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (ﷺ) ও উম্মুল মু’মিনিন হযরত আইশা (রাঃ) কে নিয়ে সম্প্রতি আপত্তিকর মন্তব্য করে হিন্দুত্ববাদী ভারতের দুই উগ্রবাদী নেতা। এর প্রতিবাদে মুসলিমরা রাস্তায় নামলে অতি হিংস্র রূপে আবির্ভূত হয় হিন্দুত্ববাদীরা।

ভারতের উত্তর প্রদেশ ও মধ্য প্রদেশে যে সকল মুসলিম এধরণের বিক্ষোভে অংশ নিয়েছেন, তাদের বাড়িঘর বুলডোজার দিয়ে ভেঙ্গে দিচ্ছে হিন্দুত্ববাদী প্রশাসন। এছাড়াও গোটা দেশজুড়ে চলছে প্রশাসন কর্তৃক ব্যাপক ধরপাকড় ও হতাহতের ঘটনা।

উত্তরপ্রদেশ রাজ্যের প্রয়াগরাজে রবিবার মুসলিম কর্মী মোহাম্মদ জাভেদকে প্রধান অভিযুক্ত করে তার বাড়িতে বুলডোজার চালায় হিন্দুত্ববাদী প্রশাসন।

৪৮ বছর বয়সী ইমামুদ্দিন আলম বলেছে, “আমি আমার মুদি দোকান নিয়ে চিন্তিত ছিলাম। সেখানে এখন ধ্বংসস্তূপ ছাড়া আর কিছুই অবশিষ্ট নেই। এটি এখন হিন্দুত্ববাদীদের নতুন প্যাটার্ন। ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) উগ্র নেতারা আমাদের উস্কে দেয়, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেয়। আমরা প্রতিক্রিয়া জানালে আমাদের গ্রেপ্তার করে এবং আমাদের বাড়িঘর বুলডোজার দিয়ে ভেঙ্গে দেয়।”

রাঁচিতে হিন্দুত্ববাদীদের হামলায় দুজন মুসলিম শহীদ হয়েছেন। শতাধিক আহত এবং কয়েক শতাধিক মুসলিমকে গ্রেপ্তার করেছে। এখনো চলছে দমন অভিযান। উত্তর প্রদেশের সন্ত্রাসী মুখ্যমন্ত্রী উগ্র যোগী আদিত্যনাথ বিক্ষোভে জড়িত থাকার অভিযোগে মুসলিমদের ভবন ভেঙে ফেলার নির্দেশ দিয়েছে।

এমনিতেই ক্রমাগত হিন্দুত্ববাদীদের নির্যাতনে ভারতের ২০০ মিলিয়ন মুসলমানদের মধ্যে ক্ষোভ জ্বলতে থাকে। যা উগ্রবাদীদের উসকানিমূলক মন্তব্যে আরো বাড়িয়ে দিয়েছে। ফলে জুমার নামাজের পর মুসলিমদের ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে রাজপথে।

বিগত দুই বছরে বিজেপি কর্মকর্তা এবং চরমপন্থী হিন্দু গোষ্ঠীর দ্বারা মুসলমানদের সম্পর্কে হিংসাত্মক বক্তৃতা পূর্বের তুলনায় বহুগুণে বৃদ্ধি পেয়েছে। মুসলিমদের ধর্মীয় ও স্বাভাবিক জীবন যাপনে অন্যায়ভাবে হিন্দুত্ববাদীরা হস্তক্ষেপ করে যাচ্ছে। পবিত্রস্থান মসজিদগুলোও তাদের হাত থেকে রেহাই পাচ্ছে না।

হিন্দুতত্ববাদীদের কিছু বক্তৃতা

১.
উগ্র হিন্দুত্ববাদী পুরোহিত স্বামী প্রবোধানন্দ প্রত্যেক হিন্দুকে অস্ত্র তুলে নিতে এবং মিয়ানমারের মতো ক্লিনজিং অপারেশন (জাতিগত নির্মূল) শুরু করতে বলেছে।

সে হিন্দুত্ববাদী জনতার উদ্দেশ্যে বলছে, সকল হিন্দুকে অস্ত্র কিনতে হবে। মুসলিমদেরকে মায়ানমারের মতো জাতিগত নির্মূল অভিযান চালাতে হবে। মুসলিমদের মারতে হবে। এছাড়া বিকল্প কোন পথ নাই। সামরিক বেসামরিক সকল হিন্দুকে মুসলিম গণহত্যায় অংশগ্রহণ করার আহ্বান জানায় ঐ সন্ত্রাসী। ইতিপূর্বেও প্রবোধানন্দ ধর্ম সংসদে খোলাখুলিভাবে মুসলিমদের গণহত্যার আহ্বান জানিয়েছিল। সে ভারতীয় মুসলিমদেরকে মিয়ানমারের রোহিঙ্গা মুসলিমদের মতোই গণহত্যা করার কথা বলেছিল।

হিন্দুত্ববাদী এই উগ্র নেতা প্রকাশ্যে তার অনুসারীদেরকে বলেছিল- “কুরআন বুঝে” এমন প্রত্যেক মুসলিমকে হত্যা করতে হবে।

২.
শকুন পান্ডে মুসলিম বিদ্বেষী অপরাধের পুনরাবৃত্তি করেই যাচ্ছে।২০২১ সালের ডিসেম্বরে হরিদ্বারের ধর্ম সংসদে কোনো ধরণের রাখঢাক ছাড়াই সে সরাসরি মুসলমানদের গণহত্যার আহ্বান জানিয়েছিল। পান্ডে মুসলিমদের বিরুদ্ধে অস্ত্র তুলে নেওয়ার ডাক দিয়েছিল এবং গণহত্যার জন্য উস্কানি দিয়েছিল।

সে বলেছে, “অস্ত্র ছাড়া কিছুই সম্ভব নয়। আপনি যদি তাদের জনসংখ্যা শেষ করে দিতে চান তবে তাদের হত্যা করুন। হত্যার জন্য প্রস্তুত থাকুন এবং জেলে যেতে প্রস্তুত থাকুন। এমনকি যদি আমাদের মধ্যে ১০০ জন তাদের (মুসলিম) ২০ লক্ষকে হত্যা করতে প্রস্তুত হয়, তবে আমরা বিজয়ী হব।”

তার এই মুসলিম বিদ্বেষী উগ্র মন্তব্যের ব্যাপারে টাইমস নাউ এক ভিডিও সাক্ষাৎকারে তাকে জিজ্ঞাসা করে যে, ২০ লক্ষ মানুষকে হত্যার ডাক দেওয়া কি ধর্ম?’ জবাবে ঐ সন্ত্রাসী সাধ্বী অন্নপূর্ণা বলেছে, “হ্যাঁ, এটা আমাদের কর্তব্য।” সে আরো বলেছে, “আমরা হিন্দুত্ববাদকে প্রতিষ্ঠা করতে তাদের হত্যা করতেই থাকবো।”

একই অনুষ্ঠানে, একটি ইউটিউব চ্যানেলের সাথে একটি সাক্ষাতকারে, পান্ডে বলেছে, “আজ এমন সময় এসেছে যখন মহিলাদের এক হাতে তরোয়াল এবং অন্য হাতে বেলন নিতে হবে। আমি আমার মায়েদের কাছে অনুরোধ করছি যে, তারা তাদের ছেলেদের দুর্বলতা না হয়ে বরং তাদের শক্তিতে পরিণত হোন। যদি কোথাও অধর্ম হয় তবে তাদের বলুন আমি তাদের কাটতে আপনার সাথে আসব। কোন মামলা হবে না কিন্তু কিছু দিনের জন্য শুধুমাত্র সামান্য অসুবিধা; আমাদের কল করুন, আমরা আপনার সাথে থাকব।”

একাধিকবার মুসলমানদের হত্যা করার জন্য তার খোলামেলা আহ্বান সত্ত্বেও, ইউপি পুলিশ এখনও পান্ডেকে গ্রেপ্তার করেনি। কারণ সে হিন্দু। পক্ষান্তরে মুসলিমরা অপরাধ না করেও হিন্দুত্ববাদীদের সাজানো মিথ্যা মামলায় বছরের পর বছর কারাগারে কাটাচ্ছে।

৩.
ভারত হিন্দুদের দেশ দাবি করে মুসলিমদের অন্যত্র চলে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে হিন্দুত্ববাদী বিজেপি সাংসদ সাধ্বী প্রজ্ঞা। সে বলেছে, “ধর্মের ভিত্তিতে তাদের (মুসলিমদের) জন্য একটি দেশ তৈরি করা হয়েছে, সেখানে যান এবং বসবাস করুন, এই দেশ (ভারত) হিন্দুদের।”

হিন্দুত্ববাদী বিজেপি সাংসদ সাধ্বী প্রজ্ঞা, সে ২০০৮ সালে একটি মসজিদের সন্ত্রাসী হামলার সাথে জড়িত ছিল। যাতে ৬ জন মুসলিম নিহত হয়।

৪.
আগামী ১৫ বছরের মধ্যে অখন্ড ভারত গড়া হবে এবং এই পথে বাধাদানকারীদের ধ্বংস করে দেওয়া হবে বলে মুসলমানদেরকে হুমকি দিয়েছে উগ্র হিন্দুত্ববাদী সন্ত্রাসী সংগঠন ‘আরএসএস’ প্রধান মোহন ভাগবত।

সন্ত্রাসবাদী এই নেতা আরো বলে, “সনাতন ধর্মই হিন্দু ধর্ম। বিশ থেকে পঁচিশ বছরের মধ্যে ভারত অখন্ড ভারত হবেই। কিন্তু যদি আরও একটু চেষ্টা করি, তাহলে স্বামী বিবেকানন্দ এবং ঋষি অরবিন্দের স্বপ্নের অখণ্ড ভারত ১০ থেকে ১৫ বছরের মধ্যেই সম্পন্ন হবে। এটাকে কেউ আটকাতে পারবে না। যে মাঝখানে আসবে তাকে ধ্বংস করা হবে। যাঁরা সঙ্গে আসবে আসো, নইলে রাস্তা থেকে সরে যাও।”

তার বক্তব্যে আরো ফুটে উঠে হিন্দুরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য হিন্দুদের তোড়জোড় ও পরিশ্রমের কথা। সে বলে, ”আমরা এক হয়ে দেশের জন্য জীবন-মরণ পণ করছি।”

ভাগবত জানিয়েছে যে, আমরা আলাদা, আমরা ভিন্ন। কিন্তু আমরা পৃথক নই। দেশের জন্য আমরা প্রাণ দিতে শুরু করেছি এবং সবাইকেই এটা অনুসরণ করা উচিত।” হিন্দুদের সশস্ত্র হবার আহবান জানিয়ে সে বলে, “আমরা অহিংসার কথা বলব এবং হাতে লাঠিও রাখব। কারণ এই পৃথিবী শক্তি ছাড়া মানে না।”

উগ্র হিন্দুত্ববাদীদের সশস্ত্র সন্ত্রাসী সংগঠন ‘আরএসএস’ প্রধানের বক্তব্য থেকে কয়েকটি বিষয় লক্ষণীয়।

প্রথমত, রামরাজ্য বা অখন্ড ভারত প্রতিষ্ঠার জন্য মুশরিকরা সুপরিকল্পিতভাবে আগাচ্ছে। তারা তাদের লক্ষ্য স্থির করেছে, লক্ষ্যে পৌঁছানোর জন্য তারা জনসমর্থন আদায় করছে উগ্রবাদী বক্তৃতা দিয়ে। তারা তাদের যুবকদের প্রশিক্ষিত করছে অস্ত্র দিয়ে। তারা সাধারণ মানুষদের অস্ত্র ধরতে আহবান জানাচ্ছে এবং তাদের শত্রুদের স্পষ্টরূপে হুমকি বা থ্রেট দিচ্ছে যে, যারাই তাদের সামনে আসবে তাদেরকেই ধ্বংস করে দেওয়া হবে।

সাধারণ হিন্দুদের উৎসাহ ধরে রাখতে তারা আশ্বাস দিচ্ছে যে, মাত্র ১৫ বছরেই তারা তাদের স্বপ্নের হিন্দুরাষ্ট্র কায়েম করবে। তারা মিছিলের নামে মুসলিম মহল্লাগুলোতে ধ্বংসলীলা চালাচ্ছে, আবার এই ধ্বংসলীলাকে জাস্টিফাই করছে মিথ্যা প্রোপাগান্ডা ছড়িয়ে যে মুসলিমরাই নাকি আগে পাথর ছুড়ে আক্রমণ করছে। হিন্দু যুবকদের ইসলাম অবমাননাকর স্লোগান দেবার অংশটুকু কৌশলে এড়িয়ে যায়।

৫.
গত কয়েকমাস আগে হরিদ্বারের ধর্ম সংসদে মুসলিমদের গণহত্যার ডাক দেয় হিন্দুত্ববাদী ধর্মগুরু জ্যোতি নরসিংহানন্দ। হিন্দুত্ববাদী প্রশাসন লোক দেখানোর জন্য তাকে আটক করলেও কিছুদিনের ভিতরেই জেল থেকে বেরিয়ে আসে। জেল থেকে এসেই দিল্লিতে হিন্দুদের সাধু সম্মেলনে আবারও উস্কানিমূলক বক্তব্য দেয় কুখ্যাত সাধু নরসিংহানন্দ। খােদ রাজধানী দিল্লিতে হিন্দুত্ববাদী প্রশাসনের নাকের ডগায় বসেই এ কাজ করেছে।

কিন্তু তাতেই ক্ষান্ত হয়নি উগ্র ধর্মগুরু জ্যোতি নরসিংহানন্দ। ফের মুসলিম নিধনে হাতে অস্ত্র তুলে নেওয়ার ডাক দিয়েছে। পূর্বের ন্যায় আবারও মুসলিমদের প্রতি ঘৃণা ছড়ানাের উদ্দেশ্যে প্রতিহিংসামূলক ভাষণ দিয়েছে। আর সেই হিংসা ছড়ানাের কাজ সে অন্য কোনাে স্থান থেকে নয়, বরং হরিদ্বারের ধর্মসংসদের ধাঁচেই হিমাচলের উনায় গোপনে একটি ধর্মসংসদের আয়োজন করে। সেখানেই উপস্থিত ছিল যতি নরসিংহানন্দ। ধর্মসভায় প্রকাশ্যেই সে হিন্দুদের অস্ত্র তুলে নিতে উসকানি দেয়।

ধর্মসভায় অন্যতম আয়োজক সত্যদেব সরস্বতী বলেছে, “আমরা কোনও আইন মানি না। কাউকে ভয় পাই না।” ওই ধর্মসভার অন্যান্য বক্তারাও প্রকাশ্যেই মুসলিম নিধনের উসকানি দিয়েছে।

৬.
হিন্দুত্ববাদী আরএসএস নেতা রাম মাধব মুসলিমদের কাফির, উম্মাহ এবং জিহাদের মতো গুরুত্বপূর্ণ তিনটি বিষয় পাল্টাতে বলেছে। রামমাধব বলেছে- কাফির, জিহাদ ও উম্মাহ এই তিনটি ধারণা বাদ দিলেই মুসলিমদের অন্তর্ভুক্তি করা হবে নতুন অখণ্ড ভারতীয় সমাজে। তখন তারা ভারতীয় সংস্কৃতির সঙ্গে একাত্ম হতে পারবেন। না হলে তা অসম্ভব। এই হিন্দুত্ববাদী রাম মাধব ২০১৫ সালে এক সাক্ষাতকারে ভারতকে অখণ্ড হিন্দু রাষ্ট্র বানানোর ঘোষণা দিয়েছিল।

উল্লেখ্য, এ তিনটি বিষয় ইসলাম ধর্মের অকাট্য দলীল দ্বারা সাব্যস্ত। এগুলো পাল্টিয়ে ফেললে কোনো ব্যক্তি আর মুসলিম থাকতে পারে না। অমুসলিমরা চায় মুসলিমরাও তাদের মতো হয়ে যাক। এজন্য মুসলিমরা দ্বীনের ব্যাপারে যতই ছাড় দিক, পুরোপুরি বেইমান হওয়ার আগ পর্যন্ত কাফেররা কখনোই মুসলিমদের ব্যাপারে সন্তুষ্ট হয় না।

অবস্থা এমন হয়েছে যে, হিন্দুত্ববাদীরা যা ইচ্ছে বলুক, করুক মুসলিমরা কোন প্রতিবাদ করতে পারবে না। করলেই হামলা, মামলা, জেল জরিমানার পাশাপাশি বুলডোজার দিয়ে বাড়িঘর ভেঙ্গে দিবে হিন্দুত্ববাদী প্রশাসন। ফলে দিনে দিনে মুসলিমদের মাঝে ভয় ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ছে।

নুপুর ও জিন্দাল প্রিয়নবী হযরত মুহাম্মদ (ﷺ) ও উম্মুল মু’মিনিন হযরত আইশা (রাঃ) কে নিয়ে কটূক্তি করার পরেও হিন্দুত্ববাদীরা ঐ নবী অবমাননাকারীদের পক্ষ নিয়ে মিছিল-সমাবেশ করছে; উস্কানিমূলক ও অবমাননাকর বক্তব্য দেওয়া এখনো অব্যাহত রেখেছে তারা। মূলত এভাবে নানান উস্কানিমূলক কর্মকাণ্ড ঘটিয়ে প্রতিবাদী মুসলিমদেরকে মাঠে নামিয়ে এসবের আড়ালে মুসলিম গণহত্যা চালানোর এবং তা গ্রহণযোগ্য করার কৌশল নিয়েছে হিন্দুত্ববাদীরা – এমনটাই মনে করেন বিশেষজ্ঞ মহল। আর মুসলিমদের বিরুদ্ধে সকল শ্রেণীর হিন্দুকে ক্ষেপীয়ে তোলার কাজ তারা তো ইতিমধ্যে করেই ফেলেছে বলিউড ও মিডিয়া ব্যবহার করে, এবং তাদের উগ্র বক্তাদের কাজে লাগিয়ে; হিন্দুদের মনোজগতে যে সর্বশেষ মানসিক ধাক্কাটা দিয়েছে ‘কাশ্মীর ফাইলস’ নামক ইসলামবিদ্বেষী সিনেমাটি। মুসলিমদেরকে তাই নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষার্থে প্রতিরোধ-সংগ্রামের ফিকির করার পরামর্শ দিচ্ছে ইসলামি চিন্তাবীদগণ।


লিখেছেন :  উসামা মাহমুদ


তথ্যসূত্র :

1. Violent BJP rhetoric and bulldozing of homes show Indian Mৃuslim dilemma
https://tinyurl.com/yckwjhs5
2. Clean India of Jihadis, Whoever Understands Quran is One’: UP Hate Speech Event
https://tinyurl.com/yckmb3zu
3. A nation was created for them [Muslims] on the basis of religion, go and live there, this nation [India] belongs to Hindus.” – Says BJP parliamentarian Sadhvi Pragya,
https://tinyurl.com/3fsmbd2s
4. ‘মুসলিমদের মারতে অস্ত্র তুলে নিন’, জেল থেকে ছাড়া পেয়েই ফের ‘ঘৃণা ভাষণ’ বিতর্কিত ধর্মগুরুর
https://tinyurl.com/2p9yhd2d
5. Swami Prabodhanand calls on Hindus to buy weapons
https://tinyurl.com/uuzyz6a5

3 মন্তব্যসমূহ

    • এই মুহূর্তে হয়ত সেতার বিপরীত প্রতিক্রিয়াও হতে পারে, মুসলিম গণহত্যা ধারণার আগেই শুরু হয়ে যেতে পারে। তাই সময়ের আগেই এমন কাজ করা থেকে বিরত থাকাই বুদ্ধিমানের কাজ, যে কাজের বোঝা বহনের ক্ষমতা এখনো মুসলিমদের হয়ে উঠেনি। আল্লাহু আ’লাম

মন্তব্য করুন

দয়া করে আপনার মন্তব্য করুন!
দয়া করে এখানে আপনার নাম লিখুন