
সরকার পুনর্গঠনের শুরু থেকেই গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের উদ্যোগ গ্রহণ করে এসেছে ইমারতে ইসলামিয়ার উমারাগণ। এই সকল প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে কুশ তেপা খাল খনন, সালাং সুড়ঙ্গ মহাসড়ক নির্মাণ, কাবুল-কান্দাহার সড়ক পুনর্নির্মাণ, পানি নিয়ন্ত্রণ বাঁধ নির্মাণ ও পুনর্নির্মাণ, শিল্পকারখানা প্রতিষ্ঠা ইত্যাদি। উন্নয়নের এই জোয়ার প্রতিটি খাতেই চলমান রয়েছে।
এর মধ্যে হেরাত প্রদেশে বৃহৎ শিল্প নগরী গড়ে তোলার পরিকল্পনা বাস্তবে রূপ নিতে চলেছে।
প্রায় ৫৫ হাজার একর জায়গা জুড়ে হেরাত প্রদেশটিতে বৃহৎ শিল্প নগরী প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে। এটিকে আধুনিক ও উন্নত বৈশিষ্ট্যমন্ডিত করে গড়ে তোলা হচ্ছে। এশিয়ার অন্যতম অর্থনৈতিক কেন্দ্র হয়ে উঠতে যাচ্ছে এই শিল্প নগরী। আফগানিস্তানে পূর্ববর্তী পুতুল সরকারের পতনের সময় হেরাত শিল্প নগরীতে সক্রিয় কারখানার সংখ্যা ছিল মাত্র ১৫০ টি। পরবর্তীতে ইমারতে ইসলামিয়া দেশের অর্থনীতিকে সচল করতে প্রয়োজনীয় নীতিসমূহ গ্রহণ করলে, ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীগণ দৃঢ়তার সাথে দেশের অর্থনৈতিক কার্যক্রমে এগিয়ে আসে। ফলে নতুন নতুন কোম্পানি ও শিল্পকারখানা প্রতিষ্ঠা লাভ শুরু করে। আর বর্তমানে উক্ত নগরীতে শিল্পকারখানা সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮৫০টি।
সম্প্রতি হেরাত প্রদেশ সফর করেছেন ইমারতে ইসলামিয়ার অর্থনীতি বিষয়ক উপপ্রধানমন্ত্রী আলহাজ্ব মোল্লা আবদুল গণি বারাদার হাফিযাহুল্লাহ এবং বিদ্যুৎ ও পানি সম্পদ মন্ত্রী আবদুল লতিফ মনসুর হাফিযাহুল্লাহ। এই সফরে ইতুক ফার্মা ও আফগান মেডিসিন নামক দুটি ওষুধ উৎপাদন কারখানা উদ্বোধন করেছেন সম্মানিত উমারাগণ। কোম্পানি দুটির প্রতিষ্ঠায় প্রায় ২৬ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করা হয়েছে।
শত চ্যালেঞ্জ ও নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও ইমারতে ইসলামিয়া সরকার জাতিকে উন্নত করে গড়ে তুলতে অত্যন্ত দৃঢ়। আফগানিস্তানকে আমদানি নির্ভর দেশ থেকে রপ্তানিমুখী দেশে রূপান্তরিত করা, কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা, অভিবাসন কমিয়া আনা ইত্যাদি লক্ষ্য সামনে রেখেই প্রচেষ্টা অব্যহত রেখেছে ইমারতে ইসলামিয়া প্রশাসন।
মূল লেখক: সাইস সাঈদী
ইমারতে ইসলামিয়ার অফিসিয়াল সাইট থেকে অনুদিতও ঈষৎ পরিমার্জিত
তথ্যসূত্র:
1. Afghanistan Progressing Towards Economic Prosperity
– https://tinyurl.com/bt663rh7


