
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় গভীর রাতে সিঁধ কেটে ঘরে প্রবেশ করে একাদশ শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে অজ্ঞান করে পালাক্রমে ধর্ষণ করেছে অজ্ঞাত দুই যুবক।
গত শুক্রবার(১৫ মে) দিবাগত রাত দুইটার দিকে উপজেলার চম্পাপুর ইউনিয়নের চালিতাবুনিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, ওই শিক্ষার্থীর বাবা প্রায় দুই বছর আগে মারা যান। জীবিকার উদ্দেশ্যে রাতে তার মা ও ভাই ওই শিক্ষার্থীকে ঘরে রেখে বাহির থেকে সামনের দরজায় তালা লাগিয়ে রেনু পোনা শিকারের উদ্দেশ্যে পার্শ্ববর্তী নদীতে যায়।
রাত দেড়টার দিকে অজ্ঞাত দুই যুবক সিঁধ কেটে ঘরে প্রবেশ করে মেয়েটিকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে পালাক্রমে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। একপর্যায়ে তার ডাকচিৎকারে পার্শ্ববর্তী ঘরের চাচার পরিবারের সদস্যরা এগিয়ে আসলে তারা পালিয়ে যায়।
ভুক্তভোগী ওই শিক্ষার্থী জানায়, আমার মুখে হয়তো কোন স্প্রে করার কারণে আমি প্রথম দিকে তেমন একটা টের পাইনি। আমার জ্ঞান ফিরলে দেখি তারা আমাকে ধর্ষণ করছে। কোন ডাকচিৎকার দিলে বা শব্দ করলে তারা দা দেখিয়ে বলে আমাকে গলাকেটে হত্যা করবে। পরে আমি সহ্য করতে না পেরে তাদের ঝাঁটা দিয়ে সরিয়ে ডাকচিৎকার দিলে আমার চাচা চাচি তাদের ঘর থেকে বেড়িয়ে আসে। এসময় তারা আমাদের ঘরের পিছনের দরজা দিয়ে পালিয়ে যায়। তাদের মুখে গামছা বাঁধা ছিলো।
ওই শিক্ষার্থীর চাচা ও চাচি জানায়, রাতে আমাদের ভাতিজির চিৎকার শুনে ঘর থেকে বের হয়ে দেখি সিঁধ কাটা। পরে তার কাপর চোপড় অসঙ্গতিপূর্ণ অবস্থায় দেখা যায় এবং সে অনেক অসুস্থ ছিলো। সে ভয়ে অনেকটা কাঁপছিলো। তাকে দুজনে মিলে ধর্ষণ করেছে।
তথ্যসূত্র:
১। কলাপাড়ায় গভীর রাতে সিঁধ কেটে ঘরে প্রবেশ করে একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীকে পালাক্রমে ধর্ষণ
– https://tinyurl.com/5n6vjds2


