
মালির উত্তরাঞ্চলীয় গাও রাজ্যে জান্তা ও রাশিয়ান বাহিনীর ১০০ সাঁজোয়া যান নিয়ে গঠিত একটি সামরিক কনভয়ে সম্মিলিতভাবে অতর্কিত আক্রমণ চালিয়েছেন এফএলএ এবং জেএনআইএম মুজাহিদরা। এতে শত্রু বাহিনীর অসংখ্য সৈন্য হতাহতের শিকার হয় এবং বিপুল সংখ্যক যানবাহন ধ্বংস ও ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
স্থানীয় ও নিরাপত্তা সূত্রের প্রাথমিক প্রতিবেদন অনুসারে, গত ১৮ জুলাই শনিবার মালির উত্তরাঞ্চলীয় গাও এবং আনেফেফ শহরের মধ্যবর্তী তাবরিচাত এলাকায় একটি সমন্বিত আক্রমণ চালিয়েছেন আল-কায়েদা সংশ্লিষ্ট জেএনআইএম মুজাহিদিন এবং আজাওয়াদ লিবারেশন ফ্রন্টের (এফএলএ) যোদ্ধারা। জেএনআইএম-এর সর্বোচ্চ নেতা ইয়াদ আগ-গালির (হাফিজাহুল্লাহ্) পুত্র শাইখ হামজা আগ-গালি (হাফিজাহুল্লাহ্) তাবরিচাত যুদ্ধে সরাসরি ময়দানে উপস্থিত থেকে প্রতিরোধ যোদ্ধাদের নেতৃত্ব দিয়েছেন। মালির জান্তা বাহিনী এবং রাশিয়ার আফ্রিকান কর্পস বাহিনীর একটি সামরিক কনভয় লক্ষ্য করে চালানো এই অভিযানে কমপক্ষে ৬০ মালিয়ান জান্তা সৈন্য নিহত হয়েছে। আর মুজাহিদদের হাতে বন্দী হয়েছে জান্তা বাহিনীর আরও অন্তত ৩০ সেনা সদস্য। এই অভিযানে শত্রু বাহিনীর বেশ কয়েকটি সামরিক যান ধ্বংসের পাশাপাশি আরও যান গনিমত হিসাবে জব্দ করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
প্রতিরোধ যোদ্ধাদের হামলার লক্ষ্যবস্তু হওয়া কনভয়টিতে ১০০টিরও বেশি যানবাহন ছিল, যা তিনটি পৃথক দলে বিভক্ত ছিল। এই কনভয়ের অগ্রবর্তী দলে ছিলো জান্তা বাহিনী, মধ্যভাগে ছিলো জান্তা সমর্থিত ২টি স্থানীয় মিলিশিয়া গোষ্ঠীর সদস্য এবং পিছনে ছিলো রাশিয়ার আফ্রিকান কর্পসের সদস্যরা। এই যুদ্ধে অগ্রবর্তী দলটি অতর্কিত হামলার শিকার হয়, কিন্তু অন্য দুটি দল বিপদ আঁচ করতে পেরে সংঘর্ষস্থলে পৌঁছানোর আগেই তা এড়িয়ে চলে যায় এবং পরে গাও শহরের দিকে পিছু হটে।
জামাআত নুসরাতুল ইসলাম ওয়াল মুসলিমিন (জেএনআইএম) এক বিবৃতিতে ঘোষণা করেছে যে, আজাওয়াদ লিবারেশন ফ্রন্টের (এফএলএ) সাথে সমন্বয় করে জেএনআইএম মুজাহিদরা মালির জান্তা বাহিনী ও রাশিয়ার আফ্রিকান কর্পসের গাড়িবহরকে লক্ষ্য করে একটি “সুপরিকল্পিত” আক্রমণ চালিয়েছেন। মুজাহিদদের সমন্বিত এই অভিযানে শত্রু বাহিনীতে ব্যাপক হতাহত ও উল্লেখযোগ্য বস্তুগত ক্ষয়ক্ষতির সংঘটিত হয়েছে।
তথ্যসূত্র:
– https://tinyurl.com/5t55cu5f


