
বুরকিনা ফাসোতে গত সপ্তাহে চালানো একাধিক হামলার বিষয়ে একটি নতুন বিবৃতি প্রকাশ করেছে সশস্ত্র ইসলামী প্রতিরোধ বাহিনী জামাআত নুসরাতুল ইসলাম ওয়াল মুসলিমিন (জেএনআইএম)।
আঞ্চলিক সংবাদ মাধ্যম আয-যাল্লাকা কর্তৃক গত ৩ নভেম্বর প্রকাশিত এক বিবৃতি উল্লেখ করা হয় যে, গত ২৮ থেকে ৩০ অক্টোবরের মধ্যে বুরকিনা ফাসোর বিভিন্ন অঞ্চলে জেএনআইএম প্রতিরোধ যোদ্ধাদের অভিযানে বুরকিনান জান্তা বাহিনীর অন্তত ১৪ সদস্য নিহত হয়েছে।
বিবৃতি অনুযায়ী প্রথম অভিযানটি গত ২৮ অক্টোবর, বুরকিনা ফাসোর ওরোদারা রাজ্যের নিয়ামানা এলাকায় একটি সামরিক পোস্ট লক্ষ্য করে চালানো হয়েছে। এতে জান্তার সহযোগী মিলিশিয়া গোষ্ঠীর ২ সদস্য নিহত হয়েছে। সেই সাথে প্রতিরোধ যোদ্ধারা একটি মর্টার ও মোটরসাইকেলসহ বেশ কিছু সরঞ্জাম গনিমত হিসাবে জব্দ করেছেন।
একই দিন, উয়াহিগুয়া রাজ্যের ইয়াবুসফো এলাকায় অবস্থিত জান্তার আরেকটি সামরিক পোস্টে আক্রমণ চালান প্রতিরোধ যোদ্ধারা। এতে জান্তা বাহিনীর ৭ সেনা সদস্য নিহত হয়, সেই সাথে প্রতিরোধ যোদ্ধারা কয়েকটি স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র গনিমত হিসাবে জব্দ করেন এবং একটি সামরিক যান ধ্বংস করেন।
এদিকে গত ৩০ অক্টোবর, ফাদানগোরমা রাজ্যের কেন্দ্রীয় শহর ও নাচাবুনি এলাকার মধ্যবর্তী সড়কে একটি ভারী অতর্কিত আক্রমণ চালান প্রতিরোধ যোদ্ধারা। এতে ৫ জান্তা সদস্য নিহত হয়, সেই সাথে তাদের অস্ত্র জব্দ করা হয় এবং একটি সাঁজোয়া যান ধ্বংস করা হয়।
এছাড়া বিবৃতিতে ১ নভেম্বর, কায়া রাজ্যের মাহলু এবং নামসেঘি এলাকায় জান্তার ১টি চেকপোস্ট ও ১টি সদর দপ্তর লক্ষ্য করে পৃথক অভিযান চালানোর কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। সংক্ষিপ্ত লড়াই শেষে জান্তার ২টি অবস্থানের উপরই নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেন প্রতিরোধ যোদ্ধারা। এসময় ঘটনাস্থল থেকে প্রতিরোধ যোদ্ধারা বেশ কিছু অস্ত্র ও মোটরসাইকেল গনিমত হিসাবে জব্দ করেন।
এই বিবৃতির একদিন পর (৪ নভেম্বর), জেএনআইএম প্রতিরোধ যোদ্ধারা সিনো রাজ্যের বানি এলাকায় জান্তার আরেকটি পোস্টে অতর্কিত আক্রমণ চালান এবং সংক্ষিপ্ত লড়াই শেষে পোস্টের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নেন।


