
১ জুলাই ভারতের উত্তরাখণ্ড রাজ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের বিলুপ্তি ঘোষণা করেছে উগ্র হিন্দুত্ববাদী বিজেপি সরকার। এর পরিবর্তে রাজ্যে সংখ্যালঘু শিক্ষা কর্তৃপক্ষ (ইউএসএমইএ) নামে নতুন সংস্থা প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। নতুন এই সংস্থার অধীনে মুসলিম, শিখ, জৈন, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান এবং পার্সি- এ ৬টি সম্প্রদায়ের জন্য একটি সাধারণ শিক্ষা কাঠামো অনুসরণ করা হবে।
দেরাদুনে এক অনুষ্ঠানে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘সংখ্যালঘু শিক্ষা কর্তৃপক্ষ’ এর উদ্বোধন করেছে হিন্দুত্ববাদী মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি।
এই সংস্থাকে বিতর্কিত ইউনিফর্ম সিভিল কোড (ইউসিসি) বিল এর সাথে তুলনা করে মুখ্যমন্ত্রী বলেছে, ব্যক্তিগত ও পারিবারিক আইনের ক্ষেত্রে যেমন ‘এক জাতি, এক আইন’ এর প্রতীক ইউসিসি, তেমনি নতুন এই শিক্ষা কাঠামো ‘এক জাতি, এক শিক্ষা’ এর সূচনা চিহ্নিত করেছে।
উত্তরাখণ্ড ভারতের প্রথম রাজ্য, যেখানে সমস্ত সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের জন্য একটি সাধারণ শিক্ষা কাঠামো ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে।
পর্যবেক্ষকদের মতে, নতুন শিক্ষা কাঠামো প্রতিষ্ঠার অন্যতম উদ্দেশ্য হলো মুসলিমদের ধর্মীয় শিক্ষার উপর উগ্র হিন্দুত্ববাদী প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণ আরও জোরদার করা।
অনেকের মতে, এই উদ্যোগ মুসলিম সন্তানদের ইসলামের সঠিক ঈমানি চেতনাভিত্তিক শিক্ষা থেকে দূরে সরানোর একটি অপপ্রয়াস, যেন হিন্দুত্ববাদী সরকার তাদের জুলুম-নিপীড়নের শাসনকে আরও দীর্ঘায়ত করতে পারে।
তথ্যসূত্র:
1. https://tinyurl.com/mut53hvy


