বুরকিনা ফাসো ধর্মনিরপেক্ষ থাকবে, এখানে ইসলামি শরিয়াহ্ অনুমোদিত নয়ঃ ইব্রাহিম ট্রাওরে

0
0

বুরকিনা ফাসোতে সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে দেশটির ক্ষমতা কুক্ষিগত করা বর্তমান রাষ্ট্রপতি ইব্রাহিম ট্রাওরে ঘোষণা করেছে, “দেশটিতে ধর্মনিরপেক্ষ কাঠামো শক্তহস্তে রক্ষা করা হবে এবং এখানে কোনোভাবেই ইসলামি শরিয়াহ্ অনুমোদিত হবে না”

বুরকিনা ফাসোর রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন আরটিবি (রেডিওডিফিউশন টেলিভিশন ডু বুর্কিনা)-তে সম্প্রচারিত এক ভাষণে ট্রাওরে বলে যে, বুরকিনা ফাসোর সকল নাগরিকের ধর্ম ও বিশ্বাসের স্বাধীনতা রয়েছে। আর “কোনো ধর্মই জাতির চেয়ে শ্রেষ্ঠ নয়। তাই বুরকিনা ফাসোতে শরিয়াহ আইন কখনোই প্রয়োগ করা হবে না এবং রাষ্ট্রীয় শাসনব্যবস্থা কোনো একক ধর্মীয় আইন ব্যবস্থা অনুসারে পরিচালিত হবে না।

সে আরও বলে যে, নাগরিকরা স্বাধীনভাবে তাদের ধর্ম পালন করতে পারেন, কিন্তু ধর্ম রাষ্ট্রের সাংবিধানিক ব্যবস্থাকে অগ্রাহ্য করতে পারে না।

মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ প্রায় ২ কোটি ৪০ লক্ষ জনসংখ্যার দেশ বুরকিনা ফাসো, পাশাপাশি একটি উল্লেখযোগ্য খ্রিস্টান সম্প্রদায় এবং ঐতিহ্যবাহী আফ্রিকান ধর্মের (স্থানীয়) অনুসারীরাও রয়েছেন। দেশটির সংবিধান বুরকিনা ফাসোকে একটি ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র হিসেবে সংজ্ঞায়িত করে।

ট্রাওরের এই মন্তব্য এমন এক সময়ে এসেছে, যখন দেশটির শীর্ষস্থানীয় অনেক আলেম শরিয়াহ্ আইন ফিরিয়ে আনতে ট্রাওরেকে পরামর্শ দিচ্ছিল। আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বুরকিনা ফাসো শরিয়াহ আইন গ্রহণ করতে পারে বলে দাবি নিয়ে আলোচনা চলছিল। এরপর এই জান্তা নেতা দেশটির বেশ কয়েকজন আলেম ও ইমামকে বন্দী করে এবং শরিয়াহ্ আইনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে ঘোষণা দেয় যে, দেশের বর্তমান সাংবিধানিক ও আইনি ব্যবস্থা সংরক্ষিত থাকবে। এর বিপক্ষ শক্তিকে কঠিন হস্তে দমন করা হবে।


তথ্যসূত্র:
– https://t.co/v1SV3Z8agh

মন্তব্য করুন

দয়া করে আপনার মন্তব্য করুন!
দয়া করে এখানে আপনার নাম লিখুন

পূর্ববর্তী নিবন্ধমধ্য মালিতে তীব্র সামরিক চাপে জান্তা বাহিনী: দু’দিনে জেএনআইএম’র ১০ অভিযান